শীতে কাবু রাজ্যবাসী, ঠান্ডার পারদ আরো নামার আশঙ্কা

আমার কথা, ৭জানুয়ারীঃ

 

ঘড়ির কাঁটায় সময় হয়েছে ৬টা, কিন্তু বাইরেটা দেখে বোঝার উপায় নেই সকাল ৬টা নাকি সন্ধ্যে ৬টা। সূর্য উঠতে দেখা না গেলেও দিনের আলো সামান্য বোঝা যাচ্ছে। তাতে যদিও বা মনে হতে পারে এবার বোধহয় সকাল হল, কিন্তু পরক্ষণেই রাস্তায় লরি, বাস বা চারচাকার গাড়িগুলির হেডলাইট জ্বালিয়ে আনাগোনা দেখে আবার ধ্বন্ধ তৈরী হচ্ছে যে সূর্য গেছে পাটে। আসলে এই মায়াবী পরিস্থিতির সৌজন্যে কুয়াশা আর অতিরিক্ত ঠাণ্ডা।

২০১৭ অর্থাৎ পুরোনো বছরের সাথে লুকোচুরি চলছিল শীতের। আসবে কি আসবে না তা নিয়ে ডিসেম্বর মাসটাতে রাজ্যের মানুষজনকে বেশ টানাপোড়েনের মধ্যে রেখে দিয়েছিল। কিন্তু সব দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে নতুন বছরের হাত ধরে রাজ্যে বেশ জাঁকজমকের সাথে প্রবেশ ঘটল থান্ডার, তাও আবার যে সে ভাবে নয় একেবারে হাঁড় কাঁপিয়ে। আর ঠান্ডার দৌরাত্মে জবুথবু অবস্থা রাজ্যবাসীর। দিন কয়েক ধরে ঠান্ডা স্বাভাবিকের থেকে কমে চলছে। ফলে ভোর থেকেই কুয়াশায় ঢেকে নিচ্ছে সর্বত্র। বেলা বাড়লেও জিদ্দি কুয়াশার সরার কোনো তাগিদও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে এখানেই শেষ নয়, আবহাওয়া সুত্রের খবর ঠান্ডার পারদ আরো নামতে পারে। পশিম ও পূর্ব এই দুই বর্ধমান জেলা সহ বাঁকুড়া, বীড়ভূম, পুরুলিয়াতে শৈতপ্রবাহ চলবে বলে সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।

Spread The Word