ফের বীরভানপুরে ক্যানেল থেকে উদ্ধার মৃতদেহ, ভাঙ্গা সেতুর কারনে মৃত্যু মিছিলে ক্ষোভ এলাকাবাসীদের

আমার কথা, পশ্চিম বর্ধমান, ১৬নভেম্বরঃ

দিনটা ছিল ১২ই সেপ্টেম্বর আর আজকের দিনটি ১৫নভেম্বর। ব্যবধান মাত্র দুমাস। এর মধ্যেই প্রশাসনের উদাসীনতায় ঘটে গেল আরো একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। ঘটনাস্থল সেই একই, দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশান যাওয়ার পথে ফিডার ক্যানেল। ভাঙ্গা সেতুর কারনে ১২সেপ্টেম্বরের আগের রাতে শ্মশানে যাওয়ার পথে ডিপিএলের বনিক মোড়ের বাসিন্দা রবি দাস ও গৌতম যাদব নামে দুই যুবক বাইক নিয়ে ওই ফিডার ক্যানেলের ভাঙ্গা সেতু গলে জলে পড়ে মারা যায়। আর সেই মৃত্যুকে ঘিরে বহু বিতর্ক তৈরী হলেও তাতে যে প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই তার প্রমাণ এই যে, মাস দুয়েক পেরোতে না পেরোতে ফের সেই ফিডার ক্যানেলের সেই স্থান থেকে উদ্ধার হল আরো এক ব্যাক্তির মৃতদেহ।

জানা গেছে, কোকওভেন থানার অন্তর্গত ডিপিএল কলোণীর বণিক মোড়ের বাসিন্দা ওম প্রকাশ শর্মা(৫০) চারদিন আগে নিখোঁজ হয়ে যান। কোকওভেন থানায় নিখোঁজের ডায়েরীও করা হয় ওই ব্যাক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে। এরপর আজ সকালে ওই ফিডার ক্যানেল থেকে ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান রাতের অন্ধকারে ওই ভাঙ্গা সেতু গলে ওই ব্যাক্তি পড়ে যায় জলে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এই ভাঙ্গা সেতুর কারনে যে মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছে তার দায় নেবে কে? ১২সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর সেই স্থান পরিদর্শণে বারংবার আসেন পুরসভার আধিকারিক থেকে শুরু করে পুরপিতারা। ঘুরে যান খোদ দুর্গাপুরের মেয়র। আশ্বাস দিয়ে গেছিলেন সমস্যার সমাধান করে ফেলার। ওই ভাঙ্গা সেতুতে বাঁশের একটি অস্থায়ী বেড়া দেওয়া হলেও তা কিছুদিন পরেই উধাও হয়ে যায়। ফলে একের পর এক ঘটে যাচ্ছে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। সব জেনেও প্রশাসনের এই নির্বিকার রূপ দেখে এখন ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসীরা।



Spread The Word