মামার মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করাতে গিয়ে জখম হলেন বিজেপি কর্মী
আমার কথা, পান্ডবেশ্বর, ১৪ জুনঃ
মামার মৃতদেহ আনতে গিয়ে জখম হলেন দুই বিজেপি কর্মী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগের আঙ্গুল তৃণমূলের দিকে। বিজেপির পক্ষ থেকে দেখে নেওয়ার হুমকি।
পান্ডবেশ্বরের ভালুকাসাইড এলাকায় একটি বেসরকারী খোলামুখ খনিতে কাজ করার সময় শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনায় জখম হন এক কর্মী। তাঁকে রাতেও দুর্গাপুরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শনিবার ভোরে সেখানেই মৃত্যু হয় ওই কর্মীর। এরপর সকালে মামার মৃত্যুর খবর পেয়ে মৃতদেহ নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান সঞ্জয় যাদব নামে এক বিজেপি কর্মী। সঞ্জয় বিজেপি নেতা তথা পান্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি অনুগামী বলে পরিচিত।
সঞ্জয় যাদবের অভিযোগ, “দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে আমাকে দেখতে পেয়ে প্রশ্ন করা হয় তুই এখানে কি করছিস। এরপরেই আমার ওপর জনা পঞ্চাশেক ছেলে চড়াও হয়ে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এদের নেতৃত্ব দেয় রামচরিত পাসোয়ান, বচন তুরি, যারা পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন চক্রবর্তীর অনুগামী। আমি সেভাবে কিছু বলার আগেই ওরা যেভাবে আমাকে মারতে শুরু করে তাতে আমার মনে হচ্ছে ওরার আমাকে মারার মতলবেই এসেছিল।”
জখম অবস্থায় বর্তমানে বিধাননগরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে সঞ্জয় যাদবের। সঞ্জয়ের সাথে জখম হন রবীন্দ্র যাদব নামে আরো এক বিজেপি কর্মী। তাঁকে দেখতে এদিন হাসপাতালে আসেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তিনি বলেন, “রামচরিত পাসোয়ান নরেন চক্রবর্তীর দলের ছেলে। নরেন চক্রবর্তী সব সময় মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলতে চায় সেটা আমি সব সময়ই বলি। তবে আমরা মানুষের কাছে যাবো, মানুষ দেখুক কাদের ওপর ভরসা করছে। তবে এর জবাব ২০২৬ এ পাবে। তিনি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেন “যারা মার খাচ্ছে তাঁরা তো নাও ছাড়তে পারে, মারের বদলা তাঁরা নিতেই পারে। তাই ভবিষ্যতের জন্য সাবধান হও”।
এ বিষয়ে পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁকে ফোন করা হলেও কোনো রকম যোগাযোগ হয়নি।
তবে শেষ পাওয়া খবরে এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।



