ক্লাব ঘরে আগুন, বিজেপির কাজ বলে অভিযোগ ক্লাব সভাপতির
আমার কথা, ১২ ফেব্রুয়ারী
তনুশ্রী চৌধুরী, কাঁকসা:
বৃহস্পতিবার ভোর রাত্রে কাঁকসার রাজবাঁধে ত্রিবর্ণ সংঘ ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভোর বেলায় স্থানীয়রা ক্লাবে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। খবর দেওয়া হয় ক্লাবের সদস্যদের। ক্লাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে, স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভায়। আগুনে ভস্মীভূত ক্লাবের একটি অংশ। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে সমস্ত নথিপত্র, একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র সহ অন্যান্য সামগ্রী।
কাঁকসা থানায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা।
ক্লাবের সভাপতি চিন্ময় মন্ডল জানিয়েছেন, ক্লাবের পাশে একটি ঘরে তাদের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কার্যালয় ছিল। সেই কার্যালয়ের সমস্ত নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তার দাবি তিনি যেহেতু ক্লাবের সভাপতি, পাশাপাশি শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাই এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য বিরোধীরা এই কাজ করতে পারে বলে তার দাবি। তিনি জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কার্যালয়ে গান্ধীজীর এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়ালে লাগানো ছিল। সেই ছবিও পুরে ছাই হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও ক্লাবে তৃণমূলের দলীয় পতাকা এবং বেশ কিছু ব্যানার পোস্টার লাগানো ছিল সেগুলিও অধিকাংশ আগুন লেগে পুড়ে গিয়েছে। ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন চিন্ময় বাবু।
যদিও বিরোধীদের ওপর ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি রমন শর্মা জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্রের হত্যা করে চলেছে তৃণমূল। মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে তৃণমূল, সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করছে তৃণমূল, তার দাবি এলাকাবাসীর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের জন্যই এই ঘটনা। সেটিকে বিজেপির ঘাড়ে এবং বিরোধীদের ঘাটে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একটি ক্লাবের ভেতরে শাসক দলের দলীয় পতাকা কেন থাকবে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার অভিযোগ রাজ্যে আইনের শাসন নয় শাসকের আইন চলছে।



