ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত, বেহাল রাস্তা, শুরু হয়েও থমকে গেছে কাজ, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
আমার কথা, ২৩ ফেব্রুয়ারী
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
কাঁকসার আড়া মোড় থেকে আড়া শিব মন্দির পর্যন্ত প্রায় দু’কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় ছিল। খানাখন্দ, ভাঙাচোরা পিচ, বর্ষায় কাদা আর গ্রীষ্মে ধুলোর দাপটে নাজেহাল ছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। অবশেষে এই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। পেভার ব্রিক দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শুরুতে জোরকদমে কাজ এগোলেও হঠাৎ করেই মাঝপথে থমকে যায় প্রকল্প। এখন রাস্তার পাশে স্তূপ করে পড়ে রয়েছে ইট, বালি ও নির্মাণ সামগ্রী। দিনের বেলায় ধুলো উড়ে ঢেকে দিচ্ছে আশপাশের বাড়িঘর, দোকানপাট, এমনকি পথচারীদেরও। শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। রাতে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে অসমান রাস্তা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। মোটরবাইক স্লিপ করছে, সাইকেল আরোহীরা পড়ে যাচ্ছেন, অটো ও ছোট গাড়ির চাকা আটকে যাচ্ছে খোয়ার স্তূপে। স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ সবারই দুর্ভোগ চরমে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কাজ শুরু হয়ে এভাবে বন্ধ থাকায় চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।এলাকার বাসিন্দারা বলেন, “রাস্তা যখন ভাঙা ছিল, তখন অন্তত জানতাম কোথায় গর্ত। এখন কাজের নামে আরও বেশি বিপদ তৈরি হয়েছে। ধুলোয় বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।” এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ শেষ করার দাবিতে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। এ বিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাতে পরীক্ষার্থীদের কোনও সমস্যা না হয়। খুব শীঘ্রই কাজ পুনরায় শুরু করে দ্রুত সম্পূর্ণ করা হবে।”



