পঞ্চায়েত সমিতির প্রাঙ্গণে শেষ শ্রদ্ধা সভাপতিকে
আমার কথা, ১৩ ফেব্রুয়ারী
তনুশ্রী চৌধুরী, কাঁকসা:
৬৩ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য। গত কয়েক মাস ধরে লিভার এবং কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।গত কয়েকমাস আগে হায়দ্রাবাদে চিকিৎসা করিয়ে বাড়ি ফিরলেও গত এক সপ্তাহ আগে ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে চিকিৎসা চলা কালীন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শুক্রবার বিকেলে কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির প্রাঙ্গনে তার দেহ নিয়ে আসা হয়। এদিন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক, কাঁকসার বিডিও, কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি জয়জিৎ মন্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পিরু খান, নব কুমার সামন্ত, কুলদীপ সরকার, উপস্থিত ছিলেন কাঁকসা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুমনা সাহা, কাঁকসা পঞ্চায়েত সহ কাঁকসা ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা, এছাড়াও ছিলেন গোলসি বিধানসভার বিধায়ক নেপাল ঘড়ুই, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ভবানী ভট্টাচার্যের প্রয়াণে তারা শোকাহত। তার প্রয়াণে দলের অনেকটা ক্ষতি হয়েছে। বরাবরই তিনি শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। চাকরি জীবনের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতাও করেছেন বেশ কিছুদিন। তারপর রাজনীতি জীবনে একজন দক্ষ সংগঠক হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এক সময় কাঁকসা ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্বভার সামলেছেন। পরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটে জেতার পর কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হন।
গত কয়েক বছর ধরে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তার মৃত্যুতে কাঁকসা ব্লকের তৃণমূলের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শোকাহত তার গোটা বামুনারা গ্রামের মানুষ।
এদিন কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতি থেকে সন্ধ্যা নাগাদ সবদেহ তার বামুনারা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গ্রামের মানুষেরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।



