নাবালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত
আমার কথা, অন্ডাল, ২৬ জুলাইঃ
সমাজ মাধ্যমে নাবালিকার সাথে বন্ধুত্ব পাতিয়ে শারীরিক সম্পর্ক, পরে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগ উঠেছিল নাবালক সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। দুজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। শুক্রবার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মূল অভিযুক্ত।
অন্ডাল থানার রামপ্রসাদপুর এলাকার বাসিন্দা অষ্টম শ্রেণীর এক নাবালিকার সাথে সমাজ মাধ্যমে বন্ধুত্ব হয় স্থানীয় ১২ নম্বর রেল কলোনির এক কিশোরের। ওই এলাকাতেই থাকেন নাবালিকার এক আত্মীয়। ফলে সেখানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল নাবালিকার। এই সুযোগে প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে ওই কিশোর। কিশোরের এক বন্ধু সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করে। এরপর সেই বন্ধুও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নাবালিকাকে বাধ্য করে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে। বিষয়টি জানতে পারে তৃতীয় এক জন। সেও ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ওই নাবালিকতার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে বলে অভিযোগ। বেশ কিছুদিন এই কাণ্ড চলার পর বেঁকে বসে নাবালিকা। তখন এক অভিযুক্ত শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও নাবালিকার মোবাইলে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে। ভিডিওটি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় সে। বিষয়টি জানতে পারে নাবালিকার মা। তিনি ঘটনাটি জানার পর ওই কিশোরদের সতর্ক করেন। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় গত ১৬-জুলাই বুধবার অন্ডাল থানায় অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ নথিভূক্ত হাওয়ার পরই ঐদিন পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করে। তবে ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্তকে এতদিন ধরতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পরেই সে গা ঢাকা দিয়েছিল। পুলিশ তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল গোপনে। অবশেষে শুক্রবার রাতে মূল অভিযুক্ত ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। শনিবার তাকে পেশ করা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। মূল অভিযুক্ত ধরা পড়াই খুশি নাবালিকা পরিবারের সদস্যরা।



