BREAKING! ‘কিছু মণ্ডল সভাপতি দল ডুবিয়ে দিচ্ছে’, পরিবর্তন সংকল্প সভায় ক্ষোভ বিজেপি নেতার
আমার কথা, ১৭ জানুয়ারী
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
‘বিজেপি দল বিক্রি হয়ে গেছে, কিছু মন্ডল সভাপতি দলকে ডুবিয়ে দিচ্ছে।’ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মঞ্চে জায়গা না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপির জেলা নেতা। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছায় নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ। উত্তেজনা দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায়। দলের অন্দরের দ্বন্দ্ব সামনে আসায় অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। এটাই হচ্ছে বিজেপির সংস্কৃতি কটাক্ষে তৃণমূল।শনিবার বিকেলে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার মিতালী সংঘ মাঠে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই, জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত সহ জেলার এক ঝাঁক নেতৃত্ব। কিন্তু সেই মঞ্চে জায়গা হলো না দলেরই সুশাসন বিভাগের নেতা অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সভা শেষ হতেই তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। ক্ষোভের মুখে পড়তে হলো জেলা নেতাদেরও। শুরু হয় ধস্তাধস্তিও। অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”দুর্গাপুরের বিজেপি বিক্রি হয়ে গেছে। কিছু মণ্ডল সভাপতি দলকে ডুবিয়ে দিচ্ছে। পুরনো কর্মীদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। ভুলভাল লোকদের নিয়ে দল পরিচালনা করা হচ্ছে। যারা বিজেপিকে নিয়ে এসেছে তাদের কোন জায়গা নেই। জোকারদের নিয়ে দল চালানো হচ্ছে।” সমালোচনায় সরব হয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,”এটাই তো হচ্ছে বিজেপির সংস্কৃতি। নিজেদের দলের মধ্যে অনেকগুলো গোষ্ঠী। জায়গা না পেয়ে অনেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যদিও এটা বিজেপির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে একটা কথাই বলবো বাংলার মানুষ বিজেপিকে কোনদিন জায়গা দেবে না।” যদিও বিজেপির জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত বলেন,”কুড়ি বছর আগেও যারা ঝাণ্ডা ধরেছে আর যারা একদিন ঝান্ডা ধরেছে সবারই সমান গুরুত্ব আছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগোচ্ছে সারা দেশ। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ভট্টাচার্যের নির্দেশ মতো দল চলছে। দলের মধ্যে কোন বিভাজন নেই।”



