এবার দুর্গাপুরের সরকারী হাসপাতালেও ঝুলতে দেখা গেল একুশে জুলাইয়ের ব্যানার
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২৭ জুলাইঃ
শিক্ষা দপ্তরের ভবনের পর এবার সরকারী হাসপাতাল। সেখানেও দেখা মিললো তৃণমূল কংগ্রেসের একুশে জুলাইয়ের ব্যানার। ঘটনাটি দুর্গাপুর শহরের, আর এই ঘটনায় আবারো একবার বিতর্ক দানা বাঁধলো শিল্পাঞ্চল রাজনীতিতে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতি বছর একুশে জুলাই দিনটিকে শহীদ দিবস পালন করা হয় কলকাতার ধর্মতলায়। এবার তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি। এদিকে ওই দিনটিতে যাতে দলীয় কর্মীরা সকলে ধর্মতলা যান তার ডাক দিয়ে শহর দুর্গাপুরের আনাচে কানাচে ‘ধর্মতলা চলো’ ডাক দিয়ে ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিং লাগানো হয়েছিল দলের তরফে। সব মিটেও গেছে। গত শুক্রবার পলাশডিহায় দুর্গাপুর চক্রের আবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ও চক্র উন্নয়ণ আধিকারিকের ভবনে ঝুলতে দেখা যায় এরকমই একটি দলীয় ব্যানার আর তা নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল শহরে। যদিও এটি বিরোধীদের চক্রান্ত বলে দাবি করা হয়েছিল তৃণমুলের পক্ষ থেকে। তার রেশ কাটার আগেই আবার দুদিনের মাথায় দেখা গেল দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের এমারজেন্সি গেটে একুশে জুলাইয়ের ব্যানার, আর ক্যামেরাবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপির ৩নং মন্ডল সভাপতি বুদ্ধদেব মণ্ডল। আর সেই ব্যানারে লেখা রয়েছে প্রোগ্রেসিভ হেলথ কেয়ার অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক প্রচারিত। বুদ্ধদেববাবু বলেন, “এটা সরকারী হাসপাতাল নাকি তৃণমূল কার্যালয়?”
বিষয়টি নিয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন, “এটা কে লাগিয়েহেয়ামার জানা নেই, তবে একটা সরকারী হাসপাতালের মতো জায়গায় এরকম রাজনৈতিক ব্যানার টাঙানোটা অন্যায়। আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলবো যাতে এটা খুলে নেয়। এটা ভুল”।
প্রাক্তন তৃণমূল পুরপিতা দীপেন মাজি বলেন, “এটা কিছু কিছু সরকারী কর্মচারী আছেন যারা দলকে কালিমালিপ্ত করতে এই ধরনের কাজ করছে। এগুলো বিরোধীদের চক্রান্ত। আমি সুপারের সাথে কথা বলবো। কি করে এটা নজর এড়ালো?”
তবে এই ব্যানার সত্যিই কি তৃণমূলের তরফে লাগানো হয়েছে নাকি শাসকদলের দাবি অনুযায়ী বিরোধীদের চক্রান্ত তা নিয়ে তদন্ত করে দেখা হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।



