স্কুলে বিয়ে বাড়ির আমেজ, এলাহি খাবারের বন্দোবস্ত
আমার কথা, ২০ ফেব্রুয়ারী
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
মিড ডে মিলে বরাদ্দ বাড়তেই পড়ুয়াদের পাতে পড়েছে ডিম তরকারির সাথে, রসগোল্লা ও আপেল। দুর্গাপুরের জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠ এখন বিয়েবাড়ির আমেজ।
রাজ্যে মিড ডে মিল প্রকল্পে বাড়তি বরাদ্দের ঘোষণা করেছে শিক্ষা দফতর।পড়ুয়াদের পুষ্টির মান উন্নত করতে প্রত্যেক পড়ুয়ার জন্য ৮ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই বাড়তি অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডিম অথবা মরসুমি ফল দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে।শিক্ষা দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এই সুবিধা পাবে। চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই অতিরিক্ত বরাদ্দ খরচ করতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলিকে। এই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলে স্কুলে দেখা যাচ্ছে বাড়তি পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার চিত্র। দুর্গাপুরের জেমুয়া ভাদুবালা বিদ্যাপীঠে তার প্রতিফলন দেখা গেল। শুক্রবার প্রায় সাড়ে চারশো পড়ুয়ার পাতে পরিবেশন করা হয় আপেল, মিষ্টি এবং ডিম। পড়ুয়াদের মুখে বাড়তি হাসি। সুদীপ্ত চট্টরাজ নামের ষষ্ঠ শ্রেণীর পড়ুয়ার কথাই,”ভাত,ডাল, সবজি, মিষ্টি আপেল পেয়েছি। দারুন লাগছে। এইরকমই মিড ডে মিলের খাবার চাই নিয়মিত।” প্রধান শিক্ষক জয়নুল হক বলেন,”মিড ডে মিল প্রকল্পে মাথাপিছু ৮ টাকা বাড়তি বরাদ্দ করা হয়েছে। শিশুদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু চলতি অর্থ বর্ষেই নয় যদি ধারাবাহিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয় তাহলে শিশুদের পুষ্টিও জোরদার হবে।” রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,” আমাদের সরকার মানুষের পাশে আছে। পড়ুয়াদের কথা ভাবে। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এই বরাদ্দ বাড়িয়েছে। বিরোধীরা নানা কটু কথা বলে। কিন্তু রাজ্য সরকার যে সকলের কথা ভাবে তা বারে বারে প্রমাণ হয় আবারও প্রমান হল।”



