আইন শৃঙ্খলা নিয়ে আশঙ্কায় ৯জানুয়ারী পর্যন্ত্য বিজেপির রথযাত্রায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

আমার কথা, কলকাতা, ৬ডিসেম্বরঃ

দিনভর টানাপোড়েনের পর বিজেপির রথযাত্রার ওপর স্থগিদাদেশ দিল হাইকোর্ট। শৃঙ্খলা প্রশ্নেই মূলতঃ এই স্থগিতাদেশ। আগামী ৯জানুয়ারী পর্য্যন্ত বিজেপি কোনো রথযাত্রা নয় বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। সাথে আদালত এও নির্দেস দিয়েছে, যে যে জেলায় বিজেপির রথযাত্রা বেরোবে সেই সেই জেলার পুলিশ সুপারকে আলাদাভাবে রিপোর্ত দিতে হবে। ২১ডিসেম্বরের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে, আর সেই রিপোর্ট দেহে তবেই রথযাত্রার ওপর সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট।

কোচবিহার জেলা প্রশাসন বিজেপির রথ যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় গতকাল বিজেপি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। আজ কোচবিহার জেলা পুলিশের রথাযাত্রার বিরোধিতায় রিপোর্ট আদালতে পেশ করেন আইনজীবি কিশোর দত্ত। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে গোরক্ষার নামে অন্য সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালিয়ে অশান্তি বাধানোর ছক তৈরি করা হয়েছে কোচবিহারে।

এছাড়াও গতকাল নবান্নে কোচবিহারের পুলিশ সুপারের পাথানো রিপোর্টেও বলা হয়েছে কোচবিহার জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। পুলিশ সুপার ভোলানাথ পান্ডে জানিয়েছেন যে, রথযাত্রাকে সামনে রেখে কিছু দুষ্কৃতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশের অন্য প্রান্তের মতো এখানেও গোরক্ষকরা অশান্তি বাধানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতমধ্যে এরকম একটি ঘটনাও ঘটেছে, যার প্রেক্ষিতে তিনজঙ্কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে রথযাত্রা হলে জেলার পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। এদিন পুলিশ সুপারের পাশাপাশি জেলা শাসক কৌশীক সাহার রিপোর্তও আদালতে পেশ করা হয় আর সেই রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রথযাত্রা জেলায় হিংসা ছরাতে পারে।

বিচারপতির প্রস্তাব অনুযায়ী রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়েও দেওয়া হয় যে, বিজেপির সাথে বৈঠক করে মাত্র একদিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভ৯ব নয়।আর এত কম সময়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানানো হয়। সমস্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে শেষে হাইকোর্ট রথযাত্রার ওপর স্থগিতাদেশ দেয়। আজকের এই মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে স্থগিতাদেশ দিয়েছে তবে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা ডিভিশন বেঞ্চে যাবেন এই মামলা নিয়ে।




Spread The Word