দুর্গাপুরে ‘দুয়ারে হাসপাতাল’, উপকৃত শিল্পাঞ্চলবাসী
আমার কথা, সনাতন গরাই, দুর্গাপুর৷ ২৪ নভেম্বর:
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয়েছিল ২১০টি ভ্রাম্যমান চিকিৎসা কেন্দ্র। সোমবার দুর্গাপুরেও এই পরিষেবার সূচনা হয়। এই অত্যাধুনিক ভ্রাম্যমান চিকিৎসা কেন্দ্রে রয়েছে একজন চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান ও নার্স। এদিন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ২টি ভ্রাম্যমান চিকিৎসা কেন্দ্রের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়। দুর্গাপুরের তামলা আদিবাসী পাড়া থেকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে। দিনমজুর মানুষদের কোনো রকম শারীরিক সমস্যা হলে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। গাড়ি ভাড়া করে আবার কখনো অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে হাসপাতালে যেতে হয়। ফলে এই পরিষেবা শুরু হওয়ায় খুশি মানুষজন।
পরিষেবা নিতে আসা রোমি বাউড়ি বলেন,”আমি চিকিৎসা করাতে এসেছিলাম। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করালাম। এইরকম চিকিৎসা কেন্দ্র দুয়ারে পৌঁছে যাবে আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। ধারাবাহিকভাবে এই পরিষেবা চললে আমরা উপকৃত হব।” চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক আবির বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”শারীরিক ছোট ছোট সমস্যা যাদের রয়েছে তাদের এখানেই চিকিৎসা করা হচ্ছে। যাদের এইখানে হচ্ছে না তাদেরকে মহকুমা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”
প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সেন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন,”রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানবিক তা বারে বারেই প্রমাণ হচ্ছে। দুয়ারে সরকারের পর দুয়ারে চিকিৎসা কেন্দ্র, এটা কেউ কল্পনা করতে পারেনি। পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় দুটি ভ্রাম্যমান চিকিৎসা কেন্দ্র শুরু হল এদিন থেকে। দুই জেলায় ধারাবাহিকভাবে চলবে।”



