সুর মুর্ছনার রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠান
আমার কথা, ২৭ জুন
প্রণয় রায়, দুর্গাপুর:
বিধাননগরের ডি এস এম এস এর প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো সুরের মুর্ছনার রবি যাপন অনুষ্ঠান। প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে মঞ্চসজ্জ্বায় শান্তিনিকেতনের সঙ্গীত ভবনের চিত্র ও একপাশে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের ছবি।
সুরের মুর্ছনা রবীন্দ্রময় হয়ে দিনান্তে রবি যাপন অনুষ্ঠান করলো। শান্তিনিকেতনের সঙ্গীতভবনের ছাত্রী সমৃদ্ধা সরকার ও ওর মা স্বাগতা সরকার ও বাবা শান্তনু সরকারের উদ্যোগে এই রবীন্দ্র যাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যে দিয়ে
অনুষ্ঠানের শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে আবৃত্তি, সমবেত আবৃত্তি, কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান ছিল। দুর্গাপর শ্রুতি রঙ্গমের শিশু শিল্পীদের সমবেত আবৃত্তি দেবদাস সেন, কাকলি সেনের আবৃত্তি কোলাজ, লাকি চট্টরাজের কবিতা পাঠ ছিল উল্লেখযোগ্য।
এদিন দৃষ্টিহীন শিশু শিল্পী সৌমিলী পালের রবীন্দ্রনাথের ইমন কল্যান রাগে গান কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে ও পিলু ভীমপলশ্রী কীর্তন রাগে আমার মন মানেনা দিন রজনী মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শকদের।
কি অসাধারণ কন্ঠ। ঈশ্বর দৃষ্টিশক্তি নিয়েছেন কিন্তু কন্ঠে দিয়েছেন কি অসাধারণ গান।
সঙ্গীতায়ন বিদ্যালয় সমবেত কন্ঠে গাইলো রবীন্দ্রনাথের পূজা পর্যায়ের গান জগত জুড়ে উদার সুরে আনন্দগান বাজে। দ্বিতীয় গান খাম্বাজ রাগে আমরা নুতন যৌবনের দূত।
কস্তুরি দত্ত গাইলো দুটি বর্ষার গান। প্রথম গান পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে পাগল আমার মন জেগে ওঠে ও দ্বিতীয় গান মন মোর মেঘের সঙ্গী বেশ একটা বর্ষার আমেজ এনে দেয়।
প্রেম পূজা ও টপ্পা আঙ্গিকে রবীন্দ্রনাথের গান
গাইলো সমৃদ্ধা সরকার।
১২৯৫ বঙ্গাব্দে রচিত
পিলু রাগে প্রেম পর্যায়ের গান দিবস রজনী আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি দ্বিতীয় গান
মিশ্র মালকোষ রাগে আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে।কণিকা বন্দোপাধ্য়াের কন্ঠে এককালে এ গানটা অনেকবার শুনেছি। অনেকদিন পর সমৃদ্ধার কন্ঠে শুনলাম।
ট্পাঙ্গের গান ঝিঁঝিট রাগে কিছুইতো হলো না না সেই সব সেই সব হাহাকার রব। রাগাশ্রয়ী এই গানটা পরিবেশন করা সমৃদ্ধার মত অল্পবয়সী শিল্পীর পক্ষে যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু অসাধারণ গাইলো।
শান্তিনিকেতনের সঙ্গীতভবনের ছাত্রী সমৃদ্ধার কন্ঠটি অসাধারণ। এরপর উড়ান সহ বিভিন্ন শিল্পীরা রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করলো।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে
পরিবেশনা করল রূপা মুখার্জি।



