নেই জল, নেই পদক্ষেপ, ভোট বয়কটের ডাক কাঁকসায়
আমার কথা, ৩১ মার্চ
সনাতন গরাই, কাঁকসা:
পানীয় জলের হাহাকার। তবুও কোনো ব্যবস্থা নেয় না নেতারা। ভোট চাইতে এলে ঝাঁটা পেটা করার হুঁশিয়ারি গলসি বিধানসভার কাঁকসার ফুলঝুড়ির বাসিন্দাদের। এই তো হচ্ছে রাজ্যের অবস্থা সমালোচনায় বিজেপি। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রশাসনের। পানীয় জলের তীব্র সঙ্কটে কার্যত নাজেহাল কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুলঝুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। একদিকে বছরের পর বছর ধরে বিকল পড়ে রয়েছে এলাকার একাধিক টিউবওয়েল, অন্যদিকে জল জীবন মিশন প্রকল্পের জলও মিলছে না। তার ওপর লোডশেডিং হলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সজল ধারার জল সরবরাহ। সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। পানীয় জলের এই ভয়াবহ সঙ্কট ঘিরে মঙ্গলবার ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মহিলারা। বিক্ষোভে সামিল হয়ে তাঁদের সাফ অভিযোগ, বারবার সমস্যার কথা জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি পঞ্চায়েত। একবারও দেখা যায়নি এলাকার বিধায়ককে। স্থানীয়দের দাবি, গ্রামে একাধিক টিউবওয়েল থাকলেও অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে বিকল। এমনকি এলাকায় বসানো সোলার পাম্পও বর্তমানে অকেজো। ফলে বাধ্য হয়ে ১ থেকে ২ কিলোমিটার দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।এলাকার বাসিন্দা অপর্ণা ঘরুইয়ের অভিযোগ, “আমরা কি জঙ্গলে বাস করছি? ফুলঝুড়ি নামে কোনও গ্রাম আছে, সেটা কি কেউ জানে? ভোট চাইতে এলে আমরা জবাব দেব।” বিকাশ ঘোষের অভিযোগ, “গত পাঁচ বছরে গলসির বিধায়ক নেপাল ঘড়ুই এলাকার কোনও সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হননি।” শাসক দলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। তাঁদের দাবি, তৃণমূল নেতারা পাঁচ বছর ঘুমিয়ে থাকায় আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।যদিও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নব কুমার সামন্ত আশ্বাস দেন,”দ্রুত সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।” নির্বাচনের আগে পানীয় জলের সঙ্কট না মিটলে ভোট কেন্দ্রের মুখ করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।




