শুভেন্দুর সাম্প্রদায়িক মন্ত্যবের জের? দুর্গাপুরে মহাপ্রসাদ নিতে অস্বীকার
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২১ জুন:
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিতর্কিত সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের? দুর্গাপুরে জগন্নাথধামের মহাপ্রসাদ নিতে অস্বীকার করলেন দুজন ব্যাক্তি। এমনই চিত্র ধরা পড়ল শিল্পাঞ্চলে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদবোধনের দিন ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের প্রতিটি মানুষের কাছে এই জগন্নাথধামের মহাপ্রসাদ পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই মতো শুরু হয়েছে রাজ্যের প্রতিটি কোনায় দুয়ারে রেশন কর্মসূচীর মাধ্যমে প্রসাদ বিলি। শনিবার সকাল থেকে দুর্গাপুরেও বিতরণ করা হচ্ছে মহাপ্রসাদ। শিল্পাঞ্চলে তিনদিনের এই কর্মসূচির প্রথমদিনে ৩৩ নং ওয়ার্ডের ফরিদপুরে রেশন দোকান থেকে বিতরণ করা হচ্ছিল প্রসাদ। শোনা যায় সেখানে দুজন ব্যাক্তি এই মহাপ্রসাদ প্রত্যাখ্যান করেন।
রেশন ডিলার তনয় মন্ডল জানান, “দুজন মহাপ্রসাদ নিতে অস্বীকার করেছেন। শুধু রেশন নিয়ে তারা চলে যান। প্রসাদ নেওয়ার জন্য কোনো রকম পীড়াপীড়ি করা বারন আছে। ওনারা অস্বীকার করেছেন। আমরাও কারন জানতে চাইনি”।
প্রসঙ্গত: গতকাল আসানসোল ও দুর্গাপুরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুরে দাঁড়িয়ে এই মহাপ্রসাদ প্রসঙ্গে তিনি বলে বলেন, ” জগন্নাথের প্রসাদে দেওয়া হচ্ছে হালাল মিষ্টি। মুর্শিদাবাদে বিশেষ সম্প্রদায়ের দোকানে জগন্নাথের প্রসাদের জন্য হালাল মিষ্টির প্যাকেট করা হচ্ছে”। এরপরেই আজ দুজন এই মহাপ্রসাদ প্রত্যাখ্যান করেন। তাহলে কি শুভেন্দুর কথার জেরেই এই ঘটনা?
তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখার্জি বলেন, “বিজেপি বরাবর দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়াতে চায়। এই বিভাজনের রাজনীতি এই রাজ্যেও করে চলেছেন তারা। এনারা ঠাকুর দেবতা নিয়েও রাজনীতি করতে ছাড়ছে না। শুভেন্দু বিরোধী নেতা হলেও আজ পর্যন্ত্য এই রাজ্যে কিছু করতে পারেননি। তাই এসব নোংরা খেলা খেলছে। কিন্তু মা মাটি মানুষে আশীর্বাদ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে। কেউ কিচ্ছু ক্ষতি করতে পারবে না”।




