এবিএলের মনোনয়ন পর্বে বিরোধীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২ মার্চঃ
একের পর এক সমবায় নির্বাচনে বহিরাগতদের এনে দখল করে নির্বাচনে জয় লাভ করছে তৃণমূল এরকমটাই অভিযোগ তুলছে সিপিএম। ব্যাতিক্রম ঘটল না এবারেও। ফলে মনোনয়পত্র না তুলেই জায়গা ছাড়তে হল বিরোধীদের।
দুর্গাপুরের এবিএলের সমবায় সমিতির ১৫টি আসন রয়েছে। নির্বাচনের দিন স্থির হয়েছে চলতি মাসের ২৪ তারিখে। ২-৩ মার্চ মনোনুপত্র জমা ও প্রত্যাহারের দিন। সিটু ৮টি ও আইএনটিইউসি ৭টি আসনের সমঝোতা করেছিল। ১৫টি আসনের জন্য প্রার্থী সংখ্যা ৬৫ জন। আজ সকালে সিটুর পক্ষ থেকে প্রার্থীরা যখন মনোনয়নপত্র তুলতে আসে তখনই বাধে গন্ডগোল। নিমেষে উত্তেজনা এলাকায়।ক্যামেরার সামনেই সিটু কর্মীদের হুমকি বহিরাগতদের। নিজেকে এবিএলের কর্মী বলে দাবি করা মাত্রই বিড়ম্বনা এড়াতে তাকে সরিয়ে নিয়ে গেলো অনেকে। এরা কারা???? সিটুর দলীয় দপ্তরের সামনে থেকে সিটু কর্মীদেরই সরে যাওয়ার হুমকি মেলে বলে অভিযোগ আর এই হুমকি আসে তৃণমূল আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতিদের পক্ষ থেকে বলে অভিযোগ করেন সিটুর লোকেরা।
সিটু নেতা নবারুন দে বলেন, “ওরা মনোনয়ন জমা দিতে দেবে না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জমা দিতে গেছিলাম। ২৫জন আমাদের স্থায়ী কর্মী আর তারাই মনোনয়ন জমা দিতে গেছিল। কিন্তু আমাদের রীতিমতো হুমকি দিয়ে সরিয়ে দেয়।
এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা বহিরাগত তত্ত্ব তুলে সিটুদের দোষারোপ করে তৃণমূল। শ্রমিক নেতা দীপঙ্কর লাহা বলেন, “শান্তিপূর্ণ মনোনয়ন পর্ব হয়েছে। আমরা নয় বিরোধীরা বহিরাগত নিয়ে এসেছিল। আমরা জানতে পেরে তাঁদের চলে যেতে বলি। তাঁরা চলেও যায়।।”
অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নিউটাউনশিপ থানার পুলিশ।
প্রসঙ্গতঃ দুর্গাপুরের মহিলা কো-অপারেটিভ ব্যাংক কিংবা দুর্গাপুর স্টিল পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাংকের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও মনোনয়নপত্র তোলা ও জমা দেওয়ার দিন অশান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। এই দুটি সমবায় সমিতির নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বহিরাগত এনে বিরোধীদের মনোনয়নপত্র তোলা বা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ এনেছিলেন বিরোধীরা।



