দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ছাদ থেকে পড়ে রোগীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১০ জুলাইঃ
হাসপাতালের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু এক বৃদ্ধ রোগীর। ঘটনাকে ঘিরে রহস্য। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ঘটনায় ফের একবার নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
দুর্গাপুরের ২৬নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত সুভাষপল্লী এলাকার বাসিন্দা নেপাল চন্দ্র দাস(৮৫)। পেট জনিত অসুস্থতা নিয়ে সোমবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। নেপালবাবুর পুত্রবধূ অপু দাস জানান, “বাবার পেটের গন্ডগোল চলছিল। সোমবার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। আতে আস্তে সুস্থও হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু বুধিবার খবর আসে বিকাল আনুমানিক ৫টা নাগাদ বাবা মারা গেছেন। হাসপাতালের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে জানানো হয় হাসপাতাল থেকে। কিন্তু কেন উনি আচমকা ঝাঁপ দিলেন সেটাই বুঝতে পারছি না। আত্মহত্যা করার মতো তো কোনো কারন ঘটেনি। তাছাড়া উনি হাসপাতালে সকলের চোখ এড়িয়ে ছাদে গেলেন কি করে?”
নেপালবাবুর প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আত্মীয়দের এখন একটাই প্রশ্ন পুরুষ বিভাগে ভর্তি ছিলেন তিনি। সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। দেখাশোনার জন্য ছিল আয়া। একটি সরকারী হাসপাতাল, সেখানে নিরাপত্তা এত ঢিলেঢালা কি করে হয়, যেখানে সকলের চোখ এড়িয়ে একজন বৃদ্ধ রোগী হাসপাতালের ছাদে উঠে গেলেন আর সেখান থেকে পরেই বা গেলেন কি করে? তবে প্রশ্ন এটাও উঠছে আদৌ কি উনি ঝাঁপ দিয়েছেন নাকি কোনোভাবে পরে গেছেন? প্রশ্ন উঠছে সন্ধ্যের পরেও হাসপাতালের ছাদের দরজাই বা খোলা ছিল কেন?
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



