হিন্দু ধর্মের বার্তা দিতে তারকেশ্বরের উদ্দ্যেশে অভিনব যাত্রা সৌরভের
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২৬ জুলাইঃ
একেই দীর্ঘ পথ সাথে শ্রাবণের ভরা বর্ষণ, কিন্তু কোনো বাধাই মানতে নারাজ সৌরভ। হিন্দু ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তা সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এক বড় সংকল্প নিলেন রাঢ়বঙ্গের ছেলে সৌরভ, যাবে তারকেশ্বরে। কিন্তু যেমন তেমন ভাবে নয়, দন্ডি কেটেই পার হবে এই সুদীর্ঘ পথ।
রানীগঞ্জের বক্তারনগরের বাসিন্দা সৌরভ পাল। এর আগেও গেছেন তারকেশ্বর। গেছেন পায়ে হেঁটে কিংবা বাইকে। কিন্তু এবারে অনেক কঠিন সংকল্প নিয়েছেন তিনি। দন্ডি কেটে যাবেন তারকেশ্বরে মহাদেবের মাথায় জল ঢালতে। প্রতিদিন ১৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম নেওয়ার লক্ষ্য তাঁর।
দিন দুয়েক আগে সৌরভ বেরিয়েছেন তারকেশ্বরে যাওয়ার জন্য। শুক্রবার রাতে তিনি পৌঁছোলেন দুর্গাপুরের দুবচুরিয়া এলাকায়। সেখানে একটি শিবমন্দিরেই নিয়েছেন রাতের আশ্রয়। তাঁর এই কঠিন তপস্যায় সঙ্গী হয়েছেন আরো দুজন যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সৌরভের সাথে এগিয়ে চলেছেন।
কিন্তু কেন এত কঠোর তপস্যা? হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে ‘ভোলে ব্যোম’ ধ্বনি। শুধুই কি মহাদেবের মাথায় জল ঢালা নাকি রয়েছে আরো কোনো লক্ষ্য?
সৌরভ জানান, “আমাদের হিন্দু ধর্মে মা বোনকে দেবী রূপে দেখা হয়। তাই হিন্দুত্ব বজায় রাখতে সাথে মানুষকে সেই বার্তা দিতে আমি এই পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রচুর মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতাও পাচ্ছি। মহাদেবের কৃপা পেতে আমি দন্ডি কেটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মহাদেবের আশীর্বাদ আর মানুষের ভালবাসায় আমি ঠিক পৌঁছে যাবো তারকেশ্বরে”।



