BREAKING! ফের শিবির বদল, এবার বিজেপিতে পারিয়াল
আমার কথা, ১৮ এপ্রিল
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
বারে বারেই দলবদল! তৃণমূলে টিকিট না পেয়ে এবার আবার নতুন রঙে বিশ্বনাথ পাড়িয়াল। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তার এই ঘনঘন পাল্টে ফেলা এখন প্রশ্ন তুলছে রাজনীতিক দলের নেতারাই। একসময় তৃণমূল কংগ্রেস-এর শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি, চারবারের কাউন্সিলর, এমনকি কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক। তার স্ত্রীও দুর্গাপুর নগর নিগমের বিদায়ী মেয়র পারিষদ সদস্য। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পর এবার তিনি যোগ দিলেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে।* সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপির পতাকা তুলে নেওয়া বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন ‘সুবিধাবাদী রাজনীতি’র’ উদাহরণ হিসেবে। তার সঙ্গে দলে যোগ দিয়েছেন তার স্ত্রী রুমা পারিয়াল, যিনি নিজেও একসময় দুর্গাপুর নগর নিগমের দায়িত্বে ছিলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে এটা কি আদর্শের লড়াই, নাকি শুধুই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার চেষ্টা? গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক পোস্ট কার্যত ইঙ্গিত দিয়েছিল এই দলবদলের। কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের মুখে এমন অবস্থান বদল আসলে জনতার আস্থার সঙ্গে খেলা। যে দল ও আদর্শের হয়ে এতদিন রাজনীতি, হঠাৎ করে সেটাকেই অস্বীকার এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?বিশ্বনাথ পাড়িয়াল যোগদানের পর উন্নয়ন, নারী সুরক্ষা, বেকারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে সমালোচকদের বক্তব্য এই সমস্যাগুলি কি নতুন? এতদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থেকেও কেন তিনি সরব হননি? এখন হঠাৎ করে লড়াইয়ের ডাক কি শুধুই রাজনৈতিক অবস্থান পাল্টানোর অজুহাত? অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার যে মন্তব্য করেছেন,বিশ্বনাথ পাড়িয়াল বলেন,”উন্নয়নের কর্মকান্ডে যোগ দিলাম। রাজ্যে নারীদের সুরক্ষা নেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান নেই। অত্যাচার করা হচ্ছে তাদের। আর পুঁজিপতিদের এখন জায়গা হচ্ছে তৃণমূলে। তাদের বিরুদ্ধেই আমি লড়াই করতে বিজেপিতে যোগ দিলাম।” কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড: সুকান্ত মজুমদার বলেন,” বিজেপির ঘাঁটি আরো শক্ত হলো। তৃণমূল কংগ্রেসের সেই দিন আসছে যেখানে পিসি ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না।”




