পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে গিয়ে ছত্রিশগড়ে রহস্যজনকভাবে দেহ উদ্ধার বাংলার আদিবাসী যুবকের
আমার কথা, ১৩ আগস্ট
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে আদিবাসী যুবকের রহস্যমৃত্যু। ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের জেলায় জঙ্গল থেকে উদ্ধার বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের পচাগলা দেহ। মৃতের নাম সুকুমার কিস্কু (৩৩)। তিনি দুর্গাপুরের কাঁকসা থানার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সুতাডাঙা এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর-ফরিদপুর এলাকার এক ঠিকাদারের মাধ্যমে বোরিংয়ের কাজে জুলাই মাসে ২৪ তারিখ ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের জেলায় গিয়েছিলেন সুকুমার কিস্কু। সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করছিলেন তিনি। গত ২৬ জুলাই তাঁর সহকর্মীরা বাড়িতে ফিরে এসে পরিবারের সদস্যদের জানান, সুকুমারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর থেকেই উদ্বেগে পড়ে যায় তাঁর পরিবার। সুকুমারের কোনও খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ছত্তিশগড়ে গিয়ে স্থানীয় থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। নিখোঁজ শ্রমিকের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্ত চলাকালীন কাঙ্কের জেলার একটি জঙ্গল থেকে সুকুমারের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। দেহটি উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি সুকুমারের দেহ বলে শনাক্ত করেন। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তিনি কীভাবে জঙ্গলে পৌঁছলেন এবং মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। মৃতের ভাই সুখদেব কিস্কু বলেন, “আমার দাদাকে দুর্গাপুর-ফরিদপুরের এক ঠিকাদার জুলাই মাসের ২৪ তারিখ কাজে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর সহকর্মীরা বাড়ি ফিরে এসে জানায়, দাদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর আমরা নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। এখন ওই এলাকা থেকে দাদার ক্ষতবিক্ষত, পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগেও আমার দাদা কাজে গেছিল কয়েক মাস আগে বাড়ি ফিরে এসেছিল তারপর আবার ২৪ তারিখে গেছিল।”



