দুর্গাপুরকে দূষণ মুক্ত করতে তৈরি হচ্ছে জাপানী পদ্ধতিতে বনাঞ্চল
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১৫জুলাইঃ
শহরকে দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল দুর্গপাপুর নগর নিগম। দু বিঘা জমির ওপর তোইরি হতে চলেছে একটি বনাঞ্চল যা জাপানী পদ্ধতিতে তৈরি করা হবে। একটি বেসরকারী সংস্থার সাথে যৌথ উদ্যোগে এই বনাঞ্চলটি তৈরি করা হবে। মঙ্গলবার এর উদ্বোধন হল
দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল দূষণের জন্য থেকে থেকেই খবরের শিরোনামে জায়গা করে নেন। এই শহরেই প্রায় সময় নানা সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীও নেওয়া হয়। তারপরেও গত বছর ২৭ নভেম্বর বাতাসে গুণগত মানের সূচক দিল্লিকেও টপকে গিয়েছিল। জেমুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শংকরপুরে রয়েছে ডাম্পিং ইয়ার্ড। কিন্তু বর্জ্যপ্রকিয়াকরণ ও নিষ্কাষণ বহু বছর বন্ধ থাকার কারনে ওই এলাকার বাসিন্দাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছিল। এরপর ২ জুলাই দুর্গাপুর নগর নিগমের উদ্যোগে একটি বেসরকারী সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বসানো হয় বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র। এবার সেই ডাম্পিং ইয়ার্ডের কাছেই দু বিছা জমির ওপর তৈরি করা হচ্ছে জাপানী পদ্ধতিতে একটি বনাঞ্চল। ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই বনাঞ্চল তৈরি হতে সময় লাগবে ছয় মাস। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এদিন উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর নগর নিগম পৌর প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য রাখি তেওয়ারি এবং ধর্মেন্দ্র যাদব, দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের সহ-সভাপতি স্বাধীন ঘোষ, এছারাও উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর নগর নিগম এবং বেসরকারি সংস্থার আধিকারিকেরা।
পুর প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় জানান, ” মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে ফরেস্ট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হল দুর্গাপুর নগর নিগমের উদ্যোগে। এই বনাঞ্চলে ৬৬ প্রজাতির গাছ থাকবে। এই বনাঞ্চলের বৈশিষ্ট্য হল, যখন গাছগুলি একটু বড় হয়ে যাবে তখন এগুলিকে আর আলাদা করে যত্ন করতে হবে না। এতে দূষণ কমবে। দুর্গাপুরের মানুষ আরো বেশি অক্সিজেন পাবে।”




