অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন?
আমার কথা, কাঁকসা, ৬ জুলাইঃ
দুটি ভিন্ন জায়গা থেকে দু জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য চড়ালো কাঁকসায়।দুটি দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় কাঁকসা থানার পুলিশ।
রবিবার ভোর রাত্রে কাঁকসার সিংপাড়া থেকে এক গৃহবধূর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতার নাম শম্পা মন্ডল। বয়স ১৭ বছর। মৃতার বাড়ি আউশগ্রামের মোরবাঁধ এলাকায়। মৃতার বাবার অভিযোগ, গত তিনমাস আগে মেয়ের বিয়ে কাঁকসার বাসিন্দা সোনু দে-এর সাথে। বিয়ের জন্য ছেলের বাবা তার কাছে জোর জবরদস্তি করে।বয়স কম থাকলেও ছেলের বাবা সিপিআইএম পার্টির সাথে যুক্ত আছে এবং বয়স কম থাকলেও সে সব সামলে নেবে বলে জোর করে মন্দিরে বিয়ে করায়। প্রথমে সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলেও পরে তার মেয়ে শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে অত্যাচারের কথা জানায় ফোন করে।মাঝে মধ্যেই অশান্তি হতো সংসারে। মৃতার বাবার অভিযোগ তার মেয়ে ফোনে জানিয়েছিল, যে ছেলের সাথে তাকে বিয়ে দিয়েছিল তার মোবাইলে একাধিক মহিলার সাথে অশ্লীল অবস্থায় ছবি রয়েছে। সেই ছবি দেখার পর থেকেই অশান্তি আরও বাড়ে বলে অভিযোগ। রবিবার সকালে তাকে ফোনে ঘটনার কথা জানানো হলে। তিনি বনগাঁ থেকে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন। শ্বশুর বাড়ী বিরুদ্ধে মেয়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিন কাঁকসা থানায় তদন্তে আসেন মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক। এর পর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় কাঁকসা থানার পুলিশ।জানা গিয়েছে ওই গৃহবধূ অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
অন্যদিকে, শনিবার রাত্রে কাঁকসার বিরুডিহায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম গৌতম কর। বয়স ৪৭ বছর।একটি বেসরকারি কারখানার শ্রমিক ছিলেন তিনি। এদিন প্রতিবেশীরা ওই ব্যক্তিকে অনেক ডাকাডাকি করে সারা না পেয়ে পরে পুলিশকে দেখে পুলিশের সাহায্যে দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে পানাগড় ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।রবিবার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।



