এবারেও আসানসোলে কবিতা ও নৃত্য উৎসবে মুগ্ধ দর্শকবৃন্দ
আমার কথা, ৩০ আগস্ট
আসানসোল, নিজস্ব সংবাদদাতা:
অনুষ্ঠিত হলো নবম আসানসোল কবিতা উৎসব এবং পঞ্চম আসানসোল নৃত্য উৎসব। ২২ ও ২৩ শে আগষ্ট আসানসোল রবীন্দ্রভবনে। আয়োজনে পাঠশালা পরিবার। বিগত বছরগুলোর ধারা মেনে নৃত্য উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলার নৃত্য শিল্পীরা,এবং কবিতা উৎসবের উদ্বোধন করেন এই জেলার কবিরা। জেলার সাথে সাথে সারা রাজ্যের এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কবি, আবৃত্তিকার এবং নৃত্য শিল্পীরা অংশ নেন এই অনুষ্ঠানে। পাঠশালার নৃত্য প্রযোজনা সঞ্চারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ” মেঘমল্লার ” মুগ্ধ করে দর্শকদের। চেন্নাই থেকে এসেছিলেন স্বনামধন্য নৃত্য শিল্পী উত্তীয় বড়ুয়া, তার ভরতনাট্যম নৃত্য শৈলী দর্শকদের মুগ্ধ করে।
গত দু’বছর সঞ্চারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এবং পাঠশালার শিল্পীদের অংশগ্রহণে “দশাবতার ” এবং ” দশ মহাবিদ্যা” উচ্চ প্রশংসিত হবার পর এবারের তাদের নিবেদন ছিলো মহাকবি কালিদাসের বর্ষাকাব্য মেঘদূত অবলম্বনে “মেঘমল্লার”। দর্শকরা এই প্রযোজনায় অভিভূত হন। প্রশংসিত হয় চন্দননগরের নৃত্যশিল্পী মৃত্তিকা এবং সঞ্চারী বন্দ্যোপাধ্যায়ে ভরতনাট্যম নৃত্য উপস্থাপনা। নৃত্য উপস্থাপনার একটি ছোট্ট অংশে সুদীপ্ত রায়ের ভাষ্যে নৃত্যের যুগলবন্দী দর্শকের বিচারে ছিলো দৃষ্টিনন্দন ও নান্দনিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মধুরিমা দত্ত,পিউ ঘোষ ও জয়দীপ মিত্র
দ্বিতীয় দিন ছিলো নবম আসানসোল কবিতা উৎসব। উপস্থিত ছিলেন কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ” এখন কবিতা খাপখোলা তলোয়ার ” শীর্ষক আলোচনা দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে। উপস্থিত ছিলেন কবি মুক্তি রায়চৌধুরী , বিশিষ্ট আবৃত্তিকার পৌলমী ঘোষ, আশীষ ঘোষ , দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। পাশাপাশি শহরের ও জেলার বিভিন্ন কবি, আবৃত্তি দল অংশ নেয় এই অনুষ্ঠানে। আশা নিকেতন আসানসোলের বিশেষ ভাবে সক্ষম বাচ্চাদের উপস্থাপনা সকলের মন কেড়ে নেয়। প্রশংসিত হয় সুদীপ্ত রায়ের পরিচালনায় “আসানসোল আবৃত্তি চর্চা ফোরাম ” ও “পাঠশালার ” উপস্থাপনা “হৃদয়া আজি মোর কেমনে গেলো খুলি” । সাথে রূপনারায়ণপুর ফিনিক্স এর উপস্থাপনা দর্শকদের প্রশংসা পায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মালবিকা বসু এবং অর্পিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।বাড়ি ফেরার মুখে অনেককেই বলতে শোনা যায় বছরে দুবার হোক এই উৎসব



