দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে প্রস্তুতি, ঐতিহাসিক জনসভা হবে, দাবি বিধায়কের
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১১ জুলাইঃ
দুর্গাপুরে জনসভা করতে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি মাসের ১৮ তারিখে এই জনসভাটি হবে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর নেহেরু স্টেডিয়ামে। সেই জনসভাকে সফল করতে সাথে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে প্রায় প্রতিদিনই এই স্টেডিয়াম পরিদর্শণ করছেন বিজেপির স্থানীয় কর্তা ব্যাক্তি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আজ শুক্রবার ফের একবার এই স্টেডিয়াম পরিদর্শণে বিজেপির কর্মকর্তাদের সাথে যান সেইল ও গেইলের আধিকারিকরা।
দলীয় সুত্র মারফত জানা গিয়েছে, ১৮ জুলাই দমদমে একটি জনসভা করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু সেই জনসভা বাতিল করে তা স্থির করা হয়েছে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে। গতবারের মতো এবারেও প্রধানমন্ত্রীর জনসভার জন্য স্থান নির্ধারণ অরা হয়েছে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নেহেরু স্টেডিয়ামে। নির্ধারিত দিনে প্রথমে বিহারের মতিহারে প্রথম জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। তারপর সেখান থেকে আকাশপথে আসবেন দুর্গাপুরে দ্বিতীয় জনসভায় যোগ দিতে। সময় আনুমানিক দুপুর ১টা। দুর্গাপুরের এই জনসভায় আসানসোল, বাঁকুরা, বিষ্ণুপুর ও বর্ধমান এই চারটি সাংগঠনিক জেলার নেতা কর্মীরা যোগ দেবেন।
দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই বলেন, “২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুরে এসেছিলেন। ছয় বছর বাদে আমরা আবার প্রধানমন্ত্রীকে এই শহরে পাবো। গতবারের থেকেও এবারে লোকসংখ্যা আরো বেশি হবে, কারন বর্তমানে বাংলার যা পরিস্থিতি তাতে বাংলার মানুষ পরিত্রাণ চায়, শান্তি চায়। বাংলার বেকাররা চাকরি চায়, শিল্প চায়। তাই মানুষ অপেক্ষায় আছে পরিবর্তনের। ঐতিহাসিক জনসভা হবে এবার। দুর্গাপুরে মানুষই ভরিয়ে দেবেন এই স্টেডিয়ামের মাঠ”।
এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসছেন, তাঁকে দুর্গাপুরে স্বাগত। তবে বাংলার মানুষ চাইছে তিনি বাংলার উন্নয়ণের জন্য কিছু করুন। একশ দিনের টাকা সহ অনেক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্র আটকে রেখেছে। সেই সমস্ত টাকাগুলো দিন। তবে এর আগেও বহুবার প্রধানমন্ত্রী এই রাজ্যে এসেছেন। কিন্তু বাংলার মানুষ ঘরের মেয়েকেই চায়। তাঁরা মমন্তা বন্দোপাধ্যায়কেই ভোট দেবে”।
চলতি মাসের ২১ তারিখ কলকাতায় প্রতিবারের মতো এবারেও শহীদ দিবস পালন করবে তৃণমূল কংগ্রেস, আর তার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মিটিং মিছিল থেকে শুরু করে নানা কর্মসূচী নিতে দেখা যাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের। এছাড়াও আগামী বছরই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে ২১শে জুলাইয়ের তিনদিন আগেই এই রাজ্যে ফের আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নির্বাচনী প্রস্তুতিরই একটি অঙ্গ।



