ছেলেধরা সন্দেহে গ্রামবাসীদের হাতে আটক ৭ সন্দেহভাজন
আমার কথা, ৭ মার্চ
রাকেশ লাহা, জামুরিয়া:
গ্রামে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিল ৭ ব্যক্তি, যাদের মধ্যে ৪জন ছিল মহিলা ৩জন পুরুষ। তবে তাদের চলাফেরা এবং আচরণবিধিতে সন্দেহ হওয়ায় গ্রামবাসীরা তাদের আটক করে ও এলাকায় ছেলেধরার গুজব ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ।
ঘটনাটি ঘটেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার অন্তর্গত শ্যামলা অঞ্চলের ছত্রিশ গন্ডা গ্রামের মসজিদ মোড় সংলগ্ন এলাকায়।
শনিবার সবেমাত্র সূর্যোদয় হয়েছে, গ্রামবাসীরা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত। ঠিক সেই সময় হঠাৎই একদল ব্যক্তি যাদের মধ্যে চারজন মহিলা ও তিনজন পুরুষ ছিল, তারা টোটোয় চেপে প্রবেশ করে ছত্রিশ গণ্ডা গ্রামে , ব্যক্তিরা গ্রামে ঘোরাঘুরি করছিল তাদের আচরণবিধি এবং চালচলনে অসংগতি ধরা পড়ায় গ্রামবাসীরা তাদের আটক করে। পরে গ্রামবাসীরা জানতে চাই যে তারা কোথা থেকে এসেছ ? তখন তারা জানায় আমরা গাজীপুর জেলা থেকে এসেছি।
তবে গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে প্রত্যেকের পরিচয় পত্রে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
এ প্রসঙ্গে ৩৬ গন্ডা গ্রামের বাসিন্দা তথা শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান দেবজ্যোতি গড়ি জানান, এমন ঘটনাই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমরা তাদেরকে কোন রকম কোন আক্রমণ করিনি শুধুমাত্র সন্দেহের বসে প্রশাসনে দারস্ত হয়ে প্রশাসনের হাতেই তুলে দিয়েছি।
অন্যদিকে, ছেলে ধরা সন্দেহে চিহ্নিত ব্যক্তিরা তাদের কথায় জানান, তারা গ্রামে এসেছে আদায়ের জন্য, প্রতি বছরই আসি, কিন্তু গ্রামবাসী অন্যথায় আমাদের ছেলে ধরা সন্দেহে আটক করেছে।
এমন ঘটনায় ক্ষনিকের মধ্যে গ্রামে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এলাকায় ছেলে ধরার রব ছড়িয়ে পড়ে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে পাণ্ডবেশ্বর থানা পুলিশ পৌঁছে, গ্রামবাসীদের আটক করা ওই চারজন মহিলা ও তিনজন পুরুষকে থানায় নিয়ে যায় জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য। তবে গ্রামে ক্ষণিকের আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের নির্দেশ গুজবে কান যেন কেউ না দেয়।



