আবাসনে কুয়ো খুঁড়ে জলের ব্যবস্থা, অবৈধতার অভিযোগে সরব স্থানীয়রা
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২৭ মার্চঃ
এক বহুতল আবাসনের প্রোমোটারের বিরুদ্ধে উঠল নানাবিধ অভিযোগ, আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে সামিল হলেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার প্রোমোটারের।
দুর্গাপুরের ২০নং ওয়ার্ডের ৫৪ ফুটের সারদাপল্লী এলাকায় মহাপ্রভু নামে একটি বহুতল আবাসনে জলের জন্য ৬০ ফুট গভীর কুয়ো কাটা হয় সম্প্রতি। এই কুয়োর কারনে আশেপাশের বাড়ির কুয়োর জল তলানিতে ঠেকেছে। ফলে জলের সমস্যায় পরেছেন স্থানীয়রা। বহুবার ওই আবাসনের প্রোমোটার বাবলু সাহাকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব সামন্ত জানান, “এই ফ্ল্যাটতি পুরোটাই অবৈধভাবে করা হয়েছে। ফ্ল্যাটের বিদ্যুতের নিজস্ব সংযোগের জন্য যে ট্রান্সফরমার বসানো হয়েছে অবৈধভাবে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘততে পারে।এছাড়াও ফ্ল্যাটের জলের সমস্যা মেটাতে গিয়ে প্রোমোটার ৬০ ফুট গভীর পাতকুয়ো খুঁড়ছেন। এর কারনে গোটা এলাকায় কুয়োর জলের স্তর নেমে গেছে। বাব্লু সাহাকে বললে তিনি বলেন দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে পাতকুয়ো কাটার অনুমতি দিয়েছে। তাই কিছু জানতে হলে নগর নিগমে চলে যেতে বলছেন। আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি যতক্ষণ না নগর নিগম থেকে কেউ আসছে আমরা কোনো কাজ করতে দেবো না।”
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহাপ্রভু আবাসনের কর্ণধার বাবলু সাহা। তিনি বলেন, “আমি সরকারী নিয়ম মেনেই পাতকুয়ো কাটিয়েছি। আশেপাশের বারির নোংরা, পায়খানার জল আবাসনের জলের সাথে মিশছিল। আবাসনের বাসিন্দারা অভিযোগ জানাচ্ছিল বারবার। আর তাছাড়া আমাদের পাতকুয়ো কাটার কারনে এই সমস্যা হয়নি। এখন গরমের সময় এই এলাকায় এমনিতেই জলের সমস্যা হয় আর সেই কারনেই এলাকার পাতকুয়োর জলের স্তর নিচে নেমে গেছে।”
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে স্থানীয়দের একাংশ পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানার ফরিদপুর ফাঁড়ির পুলিশ আসলে এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে পথ অবরোধ তুলে দেন ঘন্টা খানেক পথ অবরোধ থাকায় কিছুক্ষণ যানজটের সৃষ্টি হয়।



