একা ঘরে খুন রেলকর্মীর স্ত্রী, নেপথ্যে লুটপাট নাকি ষড়যন্ত্র?
আমার কথা, চিত্তরঞ্জন, ৩ মার্চ:

ভর সন্ধ্যাবেলায় চিত্তরঞ্জন শহর রক্তাক্ত হয়ে উঠল।রেল শহরে এক গৃহবধূর হত্যাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। ২৮ নং রাস্তার ৪৬/২ডি বাড়িটিতে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃত্যুদেহ উদ্ধার হয়। মৃতার নাম সঞ্চিতা চৌধুরী(৫৬)।
জানা গিয়েছে, গৃহবধূর ছেলে দেবদত্ত চৌধুরী ঘটনার দিন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা নাগাদ মাকে বারংবার ফোন করেও ফোনে না পেয়ে বাবা প্রদীপ চৌধুরীকে বিষয়টা জানান। রাত আটটা নাগাদ কাজ থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন সদর দরজা খোলা। ঘরে ঢুকে দেখেন জিনিসপত্র লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে রয়েছে। আলমারী থেকে খোয়া গিয়েছে সোনার গয়নাগাঁটি। এদিকে বারান্দায় স্ত্রী সঞ্চিতাদেবীর রক্তাক্ত দেহ পড়ে রয়েছে। হতভম্ব প্রদীপবাবু পুলিশকে খবর দিলে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ ও রেলপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়ায় রেল আবাসন এলাকায়। সাথে মৃত্যু ঘিরেও উঠছে প্রশ্ন। ‘সুরক্ষিত’ রেল আবাসনে এরকম ঘটনা ঘটায় হতচকিত সকলে। রেল আবাসন এলাকার সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন জওয়ানরা। তাদের চোখ এড়িয়ে একটি আবাসনে দুষ্কৃতিরা ঢুকে একজন মাঝ বয়সী মহিলাকে খুন করে ঘরে লুটপাট চালিয়ে চলে গেল কি করে?
পাশাপাশি জান যাচ্ছে রেলকর্মী প্রদীপ চৌধুরী একসময় তৃণমূলের সাথে যুক্ত ছিলেন। দক্ষ ঘোষক হিসেবেও এলাকায় বেশ খ্যাতি আছে তাঁর। ফলে এই ঘটনায় বেশ ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। প্রশ্ন তাহলে এটি কি লুটপাটের জন্য খুন নাকি এই খুনের পেছনে রয়েছে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র?



