মাধ্যমিকে দুর্গাপুরে ২য় স্থানাধিকারী ডিআইসিভি স্কুলের প্রতীম
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২ মেঃ
সকাল থেকেই টিভির পর্দা সহ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটের দিকে নজর ছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী থেকে তাঁদের অভিভাবকরা। সময় মতো ফলাফল বেরোনোর পর দেখা গেল পশ্চিম বর্ধমানে মেধা তালিকায় ১০ জনের মধ্যে জায়গা করে নিলো দুর্গাপুরের বেসরকারী বাংলা মাধ্যম স্কুল ডিআইসিভি অর্থাৎ দুর্গাপুর ইশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী প্রতীম মন্ডল। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ৬ষ্ঠ ও দুর্গাপুরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রতীম মন্ডল। প্রতীমের প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭ (৯৬.৭১%)। তার এই ফলাফলে বেশ খুশি প্রতীমের স্কুলের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে তাঁর অভিভাবক।
প্রতীমের পরিবারে আছেন তাঁর বাবা ও মা। প্রতীমের বাবা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল মায়াবাজারে পোস্ট অফিসে চাকুরিরত আর মা পৌলমী মন্ডল। প্রতীম দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের লাউদোহায় থাকে। প্রতীম এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় ডিআইসিভি স্কুল থেকে। যদিও প্রতীমের স্কুল জীবন শুরু হয়েছিল লাউদোহা প্রাইমারী স্কুল থেকে। এরপর পঞ্চম শ্রেণীতে সে এসে এই স্কুলে ভর্তি হয়। প্রচন্ড মেধার অধিকারী প্রতীম জানায় সে প্রতিদিন স্কুল ও টিউশন বাদ দিয়ে সারাদিনে মাত্র পাঁচ ঘন্টা পড়াশুনা করতো। প্রতীমের এক টানা পড়াশুনা করতে ভাল লাগে না। সে একজন চিকিৎসক হতে চায়। পাশাপাশি সে এও জানায় স্কুলকে দুর্গাপুরে দ্বিতীয় স্থানে এনে দিতে পেরে সে খুব খুশী। তাঁর এই ফলেফলের জন্য সে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের অবদান স্বীকার করে।
ডিআইসিভি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বসু জানান, “প্রতীমের এই সাফল্যের সব থেকে বড় বিষয় হল অত দূর থেকে প্রতিদিন স্কুকে আসতো। একদিনের জন্যও সে স্কুল বন্ধ করেনি। স্কুলের প্রতিটি শিক্ষক-শিক্ষিকাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে কথা বলতো। ও বরাবরই পড়াশুনায় ভাল। তবে প্রতীম বলে নয় আমরা আমাদের স্কুলের প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে সন্তানের স্নেহ দিয়ে বড় করে তুলি। আজ প্রতীম আমাদের স্কুলকে জেলার মধ্যে একটা পজিশন এনে দিয়েছে। এর জন্য আমি গর্বিত। ও জীবনে আরো বড় হোক এটাই কামনা করি”।



