দুর্গাপুরে অপরাধ রুখতে এগিয়ে এলেন সাংসদ, দিলেন ৩০ লক্ষ টাকা অনুদান
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১৭ মেঃ
একদিকে যেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপরাধ তেমনি সেই অপরাধ রুখতে অত্যাবশক হয়ে পরছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এরকম অনেক বড় বড় জটিল অপরাধের সমাধান করতে সাথে অপরাধীকে রুখতে পুলিশকে অনেক বড় সাহায্য করেছে এই সিসিটিভি ক্যামেরা। তাই সাধারন মানুষদের নিরাপত্তা আরো জোরদার করতে এবার এগিয়ে এলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কীর্তি আজাদ। দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র সহ বুদবুদ থানা এলাকায় মূলতঃ গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকাগুলিতে নজরদারি জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর জন্য সাংসদ তহবিল থেকে তিনি ৩০ লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন। শনিবার ডিসিপি (পূর্ব) এর দপ্তরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সাংসদ কীর্তি আজাদ ও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী। সেই সাংবাদিক বৈঠকেই এই অনুদানের বিষয়টি জানানো হয়।
দুর্গাপুরের ৭৮টি জায়গায় মোট ২৫১টি সিসিতিভি ক্যামেরা লাগানো হবে যার মধ্যে দুর্গাপুর থানা এলাকায় ৮০টি, কোকওভেন থানা এলাকায় ৬৭টি, নিউটাউনশিপ থানা এলাকায় ৩০টি, কাঁকসা থানা এলাকায় ৬২টি ও বুদবুদ থানা এলাকায় ১২টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে এই ৩০ লক্ষ টাকা থেকে। পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আওতায় এখনো পর্যন্ত্য ১ হাজার ক্যামেরা লাগানো হয়েছে, যার মধ্যে দুর্গাপুর মহকুমায় রয়েছে ৬০০টি ক্যামেরা। কীর্তি আজাদ বলেন, “আমার দাদা মধ্যপ্রদেশে ক্যাডারের আইপিএস অফিসার ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে আমি পুলিশের নানা কাহিনী শুনতাম। আজ আমি দুর্গাপুর পুলিশের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী বলেন, “শুধু অপরাধ আটকাতে নয়, মহিলা ও সাধারন মানুষের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এই সিসিটিভি ক্যামেরা অনেক কাজে লাগে। বিভিন্ন সময়ে ল’ এন্ড অর্ডারের ক্ষেত্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ আমাদের অনেক সাহায্য করে।



