মদ্যপ যুবকের গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় খুন হয়ে গেলেন ট্যাংকার চালক
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২৮ মেঃ
গালাগালির প্রতিবাদ করায় খুন হয়ে গেলেন এক ট্যাংকার চালক। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত ভগৎপল্লী এলাকায়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
ভগতপল্লী এলাকার বাসিন্দা যীশু ওরফে রাজেশ কুমার(৪৫) পেশায় ট্যাংকার চালক। পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস। পাড়ায় ভাল লোক বলে সুখ্যাতি ছিল রাজেশের। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার দিন কুড়ি পরে কাজের থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রাজেশ। করঙ্গপাড়া গ্রামের চারমাথার মোড়ের কাছে গাছের তলায় বসে মদ্যপান করছিল পিন্টু বাউড়ি নামে এক যুবক। রাজেশ যখন সেখান দিয়ে যাচ্ছিল তখন তাঁকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ করে পিন্টু বলে অভিযোগ। এরই প্রতিবাদ করে রাজেশ আর তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পিন্টু এবং একটি লোহার রড দিয়ে রাজেশের মাথায় আঘাত করে। মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পরে রাজেশ। স্থানীয়রা তাঁকে তড়িঘড়ি দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে জানান।
এদিকে অবস্থা বেগতিক বুঝে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে পিন্টু বাউড়ি। পুলিস তাঁকে গ্রেফতার করে বুধবার সকালে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে সাতদিনের হেফাজত চেয়ে।
স্থানীয় সামসুর মল্লিক, আশা খাতুনরা জানান, এলাকায় পিন্টু বাউড়ির বদনাম রয়েছে। খুনের ঘটনার সাথে তাঁর জড়িত আছে। রাজেশ কুমারের স্ত্রী উত্তরা কুমার বলেন, “আমার দুই ছেলে মেয়ে আছে। আমার স্বামী একমাত্র রোজগেরে ছিল। এখন আমার সংসার চলবে কি করে আর আমি বাচ্চাগুলোকেই বা কি করে মানুষ করবো। আমি চাই যে আমার স্বামীকে খুন করেছে তাঁর যেন চরম শাস্তি হয়”।



