দুর্গাপুরে সরকারী হাসপাতালে মধ্যরাতে উন্মত্ত যুবকদের তান্ডব, আটক ৬
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২ জুন:
দুর্গাপুরের সরকারী হাসপাতালে মধ্যরাতে চলল একদল উন্মত্ত যুবকের তান্ডব, ভাঙচুর থেকে শুরু করে অকথ্য গালিগালাজ। শেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আক্রান্ত হন হাসপাতালের এক কর্মীও।
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ১১টা ৩০ নাগাদ বাইক দুর্ঘটনায় জখম হয়ে ওই হাসপাতালের এমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসা করাতে আসেন বি মাথুর নামে এক যুবক। সাথে আসে আরো প্রায় ১৬জন বন্ধু। প্রথমে এমারজেন্সিতে ওই যুবকের চিকিৎসা হয়। এরপরে অন্য একটি রুমে ওই যুবককে তিটেনাশ ইঞ্জেকশন নেওয়ার জন্য যেতে বলা হয়। তখন ওই যুবকের সাথে তাঁর বন্ধুরাও সেই রুমে সকলে ধোকারজেদ ধরে। আপত্তি জানানো হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে। কিন্তু একরোখা ওই যুবকেরা তা মানতে নারাজ শুরু করে ঝামেলা। বাঁধ দেন হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা। তাতে ওই নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরে উন্মত্ত যুবকের দল। এমারজেন্সি বিভাগে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে তাঁরা বলে অভিযোগ। এমনকি হাসপাতালের ফেসিলিটি ম্যানেজার মোহন মুর্মুকেও মারধর করে। তাঁর অভিযোগ, রাত সাড়ে এগারোটা থেকে আড়াইটে পর্যন্ত্য হাসপাতালে চলে অসান্তি, ভাঙচুর। আহত যুবকের বন্ধুরা সকলেই ‘মদ্যপ’ ছিল। আমরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি বিষয়টি। এভাবে কি হাসপাতালে কাজকর্ম করা যায়?
এদিকে ভাঙচুর চলাকালীন খবর পেয়ে হাসপাতালে আসে নিউটাউনশিপ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। ঘটনার জেরে হাসপাতালের নার্স, কর্মী থেকে রোগীরা সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। হাস্পাতালের নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করেন তাঁরা।



