পারিবারিক অশান্তির জের? মার্কনী থেকে উদ্ধার বৃদ্ধার পচাগলা দেহ
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১২ জুনঃ
এক বৃদ্ধার পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীতে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবে কি ভাবে মহিলার মৃত্যু হল তাঁর সথিক কারন এই মুহূর্তে জানা যায়নি।
দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর বি-জোনের ৩০/৪৬ নং তিলক রোডের বাসিন্দা মায়া মুখার্জি(৬৯)। মায়াদেবীর স্বামী মারা গিয়েছেন। পরিবারে এক ছেলে ও বৌমা রয়েছেন। গত ৩১ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই বৃদ্ধা। বৃহস্পতিবার সকালে বি-জোনের মার্কণী ও কৃত্তিবাসের সংযোগস্থলে একটি ঝোঁপে কয়েকজন যুবক ছাগল চরাতে এসে এক মহিলার পচনধরা দেহ দেখতে পায়। তাঁরা খবর দেয় পুলিশকে। বি-জোন ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। বৃদ্ধার মৃতদেহের পাশ থেকে একটি ভ্যানিতি ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। তাতে বৃদ্ধার পরিচয়পত্র ছিল, যা থেকে পুলিশ জানতে পারে ওই বৃদ্ধার নাম মায়া মুখার্জি যিনি ৩১ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, মায়াদেবী যেদিন নিখোঁজ হন তার আগের দিন মায়াদেবীর ছেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরেরদিন যখন বৃদ্ধাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তখন বৃদ্ধার ছেলে ফাঁড়িতে মায়ের নিখোঁজের ডায়েরি করাতে এসেও ফিরে যান। এছাড়া পুলিশ ও এলাকা সুত্রে জানা গিয়েছে, মায়াদেবীর ছেলেকে নিয়ে পারিবারিক অশান্তি লেগেই ছিল। পারিবারিক অনেক সম্পত্তি মায়াদেবীর ছেলে নষ্ট করেছে। এখন ছেলের সাথে অশান্তির সাথে মায়াদেবীর মৃত্যুর কোনো যোগ আছে কিনা তা এখনই হলফ করে পুলিশ কিছু বলতে পারেনি। তবে মায়াদেবীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। তবে কিভাবে মায়াদেবীর মৃত্যু হল তা জানতে বৃদ্ধার মৃতদেহ আসানসোল জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।



