দুর্গাপুর থানার পুলিশের উদ্যোগে যেন নতুন রূপ পেলো চার প্রান্তিক শিশু
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১৯ জুন:
অবশেষে হদিশ মিলল কিষান পাসিরও আর এই চার নাবালকের ঠাঁই হল হোমে। পুলিশের তৎপরতায় এই চার নাবালককে তুলে দেওয়া হল আসানসোল চাইল্ড ওয়েলফেয়ারের সদস্যদের হাতে।
দুর্গাপুরের কুড়ুরিয়া ডাঙ্গার পাসিপাড়ার বাসিন্দা চার নাবালক আকাশ, বিজু, কিষান ও মিলন পাসি গত ৫ জুন থেকে বেনাচিতি বাজার থেকে দুপুরবেলা নিখোঁজ হয়ে যায়। ৭ জুন এদের বাবা মায়েরা থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করে। পুলিশ খোঁজ শুরু করে। এর মধ্যেই আচমকাই বুধবার বিকেলে ওই চার নাবালককে বেনাচিতিতেই দেখতে পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তিনজন নাবালককে উদ্ধার করলেও পালিয়ে যায় কিষান পাসি। এরপর তার খোঁজ করতে করতে পুলিশ অবশেষে কিষানের বাড়ি থেকেই তাকে উদ্ধার করে।
জানা যায় ওই চার নাবালকের পারিবারিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়ম প্রান্তিক শিশু হিসেবেই পরিচিত এই কিষান, বিজু, আকাশরা। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অধিকাংশ সময় এরা ভিক্ষাবৃত্তি করেই দিন যাপন করে। ফলে শিশুগুলি শরীরেও দারিদ্রতার ছাপ পূর্ণমাত্রায় লক্ষ্য করা যায়। বৃহস্পতিবার এই চার শিশুকে ভাল করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নতুন পোশাক পরায় দুর্গাপুর থানার মানবিক পুলিশ। সমাজে পিছিয়ে পড়া এই চার প্রান্তিক শিশু কিভাবে মূল স্রোতে ফিরে আসতে পারে তা নিয়েও চিন্তা করছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। এদিন আসানসোল শিশু কল্যান সমিতির সদস্যদের হাতে এই চার শিশুকে তুলে দেয় দুর্গাপুর থানার পুলিশ।



