বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে দুর্গাপুরে মুখ্য প্রশাসকের সুরের মূর্ছনায় ভাসল শহর
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২২ জুন:

বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মূর্ছনায় ভেসে গেল দুর্গাপুরের আপামোর মানুষজন। তারকা খচিত এক সন্ধ্যার সাক্ষী হয়ে রইলেন এদিন উপস্থিত শিল্পাঞ্চলবাসী। দুর্গাপুর নগর নিগনের মুখ্য প্রশাসক তথা সঙ্গীত শিল্পী অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের একক সঙ্গীতের অনুষ্ঠানের চিত্রটা ছিল এরকমই।
২১ জুন শনিবার, পৃথিবীর ১২০ টি দেশ পালন করলো বিশ্ব সঙ্গীত দিবস, যার মধ্যে ছিল ভারতবর্ষও। শিল্প ও সংস্কৃতির পীঠস্থান এই দেশের মধ্যে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুর কল কারখানা, যন্ত্রের শহর হলেও এই শহরের মানুষজন যে অত্যন্ত যে সংস্কৃতি মনষ্কা তা আরো একবার প্রমান হল এদিন। দুর্গাপুর নগর নিগমের ডা: বিধানচন্দ্র রায় মেমোরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজক ছিলেন খোদ মুখ্য প্রশাসক। তবে এদিন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভিন্ন রূপে। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাকে একজন সঙ্গীত শিল্পী হিসেবেই দেখা গেল। এদিনের অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’, শীর্ষক গানের রেকর্ড, যা এদিন আত্মপ্রকাশ করল। তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে একদিকে যেমন উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা, তেমনই উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও। তাছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এই শহরের বহু সাহিত্য জগতের মানুষজন। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে এদিন অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়। প্রদীপ জ্বালান পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, এডিডিএ এর চেয়ারম্যান কবি দত্ত, জেলাশাসক পোন্নমবলম এস, পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, প্রাক্তন বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়, এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল প্রমূখ।
এদিনের একক সঙ্গীত অনুষ্ঠানে অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় তাঁর গানের ডালি উজার করে দেন উপস্থিত শ্রোতাদের কাছে। মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর গাওয়া গানে ভেসে গেছিলেন সকলে। এরই মাঝে মাঝে অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের ছেলেবেলা থেকে বর্তমানের জীবনে তাঁর সঙ্গীত জীবনের স্মৃতিচারণা এক আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছিল অনুষ্ঠানে।
এদিনের অনুষ্ঠান শেষে শ্রোতাদের মুখে ছিল একটিই কথা, ‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’ এই প্রবাদটিকে সত্যি করে দেখালেন দুর্গাপুর নগর নিগমের মুখ্য প্রশাসক তথা দুর্গাপুরের প্রবাদপ্রতিম পুরুষ আনন্দগোপাল মুখোপাধ্যায়ের পুত্রবধূ তথা দুর্গাপুরের প্রাক্তন মহানাগরিক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের ঘরণী অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।



