ঋণের টাকা ফেরত দিতে না চেয়ে খুন, বুদবুদে গ্রেফতার বিহারের যুবক
আমার কথা, দুর্গাপুর, ৬ জুলাইঃ

ঋণের টাকা যাতে ফেরত দিতে না হয় তাই ভাই ও ভাইয়ের বন্ধুকে সাথে নিয়ে ঋণদাতাকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। রবিবার সেই ভাইয়ের বন্ধুকে বুদবুদ থেকে গ্রেফতার করলো হরিয়াণা পুলিশ। তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে হরিয়ানা নিয়ে যাওয়া হল।
পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের গুরগাঁওয়ের বাসিন্দা প্রিয়া নামে এক যুবতীর সাথে একই অফিসে কাজ করতেন প্রবীণ ট্যান্ডন(৩২) নামে এক যুবক। প্রবীণ হরিয়াণার নারান্দা এলাকার বাসিন্দা। প্রিয়া প্রবীণের থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ধার করে। কিন্তু সেই টাকা কিছুতেই ফেরত দিচ্ছিল না প্রিয়া। প্রবীণের ক্রমাগত চাপে বিরক্ত হয়ে চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে প্রিয়া তাঁকে বিহারের জামালপুরে ডেকে পাঠায় টাকা ফেরত দেবে বলে। সেই মতো প্রবীণ পৌঁছোয় জামালপুরে। কিন্তু টাকা ফেরত নয় বরং টাকা যাতে ফেরত দিতে নাহয় তার জন্য প্রিয়া তার পিসতুতো ভাই সুমিত কুমারের সাথে প্রবীণকে খুনের ছক কষে, আর এই খুনের পরিকল্পনায় যোগ দেয় সুমিতের বন্ধু বিহারের বুদ্ধামতালা এলাকার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র কুমার শর্মা। তিনজনে মিলে খুন করে প্রবীণকে। এদিকে প্রবীণের কোনো খোঁজ না মেলায় জানুয়ারী মাসের ১৭ তারিখে প্রবীণের বাবা বেদপ্রকাশ ট্যান্ডন নারান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নামে পুলিশ। সুমিত ও ধর্মেন্দ্রর নাম জানতে পারে পুলিশ। বিহার থেকে সুমিতকে গ্রেফতার করে নারান্দা থানার পুলিশ। কিন্তু ইতিমধ্যেই ধর্মেন্দ্র ও প্রিয়া গা ঢাকা দেয়। কিন্তু পুলিশ তার মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে জানতে পারে ধর্মেন্দ্র রয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার বুদবুদে। শনিবার রাতে হরিয়ানা পুলিশ বুদবুদ থানার পুলিশকে সাথে নিয়ে অভিযানে নামে। বুদবুদের কোটা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ধর্মেন্দ্রকে গ্রেফতার করে। আজ রবিবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে ধর্মেন্দ্রকে পেশ করে নারান্দা থানার পুলিশ। এরপর তাঁকে ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে হরিয়াণা নিয়ে যায়।



