পান্ডবেশ্বরে জরাজীর্ণ রাস্তার কাজ আটকে রেলের অনুমতির জন্য, জটিলতা কাটাতে উদ্যোগ প্রশাসনের
আমার কথা, পান্ডবেশ্বর, ৯ সেপ্টেম্বরঃ
ব্যস্ততম লম্বা ২ কিলোমিটার রাস্তা পরিণত হয়েছে মৃত্যুকুপে। ঝুঁকিপূর্ণ চলাচলে ক্ষোভ বাড়ছিল স্থানীয়দের। এহেন রাস্তা সংস্কারের কাজ আটকে রয়েছে কেবলমাত্র রেলের অনুমতি না পাওয়ার জন্য। তবে সেই রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নিতে প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে এলাকা পরিদর্সণ করলেন বিধায়ক।
প্রবল বৃষ্টির কারণে ও ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য পান্ডবেশ্বর বিধানসভার পাণ্ডবেশ্বের ফুলবাগান বাস স্ট্যান্ড থেকে স্টেশন রেলগেট পর্যন্ত প্রায় ২ কিমি এর ব্যাস্ততম রাস্তা মৃত্যুকূপে এর পরিণত হয়েছে। দুর্গাপুর, গৌরবাজার ও আশেপাশের কয়েশো গ্রামের যাতায়াতের প্রধান সড়ক পথ এটিই। অথচ এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার শোচনীয় অবস্থা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় নিত্য যাত্রী থেকে স্কুল পড়ুয়াদের। অনেকদিন ধরেই এই রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। তাঁদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সোমবার পি ডব্লিউ ডির আধিকারিক সহ সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে রাস্তা পরিদর্শনে যান বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। পরিদর্শণ শেষে নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করেন বিষয়টি নিয়ে।
পাশাপাশি এদিন পাণ্ডবেশ্বর ওভার ব্রিজের নিচে এ সি বাস স্ট্যান্ড ও সৌন্দর্যায়নের জন্য জায়গা চিহ্নিতকরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন, পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বৃষ্টি হাজরা, বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, পান্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রমা রুইদাস, রেলের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মনোজ কুমার সিং, পি ডব্লিউ ডি ইঞ্জিনিয়ার, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কিরীটি মুখার্জি সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ।
পান্ডবেশ্বরের বিডিও বৃষ্টি হাজরা জানান, এই গুরুত্বপূর্ন রাস্তাটি যেহেতু রেলের জমির ওপর দিয়ে গিয়েছে তাই রেলের অনুমতি না পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারছি না। অথচ আমরা আজ প্রায় ছয় মাস হয়ে গেল রেলের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম ‘এনওসি’ দেওয়ার জন্য। কিন্তু এখনও পর্যন্ত্য রেলের পক্ষ থেকে কোনো এনওসি আমরা পাইনি। যখনই আমরা এই অনুমতি পেয়ে যাবো আমরা দ্রুত কাজ শুরু করে দেবো”।
প্রবল বৃষ্টি ও ভারী যানবাহনের চাপে জীর্ণ হয়ে পরা পান্ডবেশ্বরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মেরামতির উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন সাধারণ মানুষ।



