নিখিল নায়েকের মৃত্যুতে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য, উঠছে নানা প্রশ্ন
আমার কথা, সনাতন গড়াই, দুর্গাপুর, ২১ সেপ্টেম্বর:
বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। শনিবার বিকেলে দুর্গাপুরের এক নম্বর ওয়ার্ডের কমলপুরের দশের বাঁধ এলাকায় নিজের বাগান বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নিখিল নায়েকের দেহ। পাশের একটি বেঞ্চে রাখা ছিল মাংস ভাত। সেই খাবারের বিষ মিশিয়ে খুন? রাজনৈতিক কারণে খুন? পারিবারিক বিবাদে খুন? নাকি মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী? ঘুরপাক খাচ্ছে সেই প্রশ্ন। যদিও এলাকার কেউই আত্মহত্যা হতে পারে বলে মনে করতে পারছেন না। সকলের একটাই অভিযোগ চক্রান্ত করে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘরুই বলেন,”উনি তৃণমূলের একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বাগান বাড়ি থেকেই তার দেহ উদ্ধার হয়। যদি খাবারে বিষ মিশিয়ে খুন হয় তাহলে আমার প্রশ্ন খাবার কার একসাথে বসে খায়? বাড়ির লোকজন বন্ধু-বান্ধব বা ঘনিষ্ঠ কেউ। পুলিশকে আমি বলব সঠিক তদন্ত করে এই ঘটনার সাথে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। দোষীরা শাস্তি পাচ্ছে না বলেই বারে বারে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।” পাল্টা রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,”নিখিল বাবুর মৃত্যু খুবই দুঃখজনক ঘটনা। উনি একজন বরিষ্ঠ সংগঠক ছিলেন। অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এলাকায়। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশাতো রয়েছেই। পুলিশের তদন্তের উপর আমাদের আস্থা আছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই পরিষ্কার হবে মৃত্যুর কারণ। যদি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকতো তাহলে হাঁটু মোরা অবস্থায় কেন পাওয়া যাবে। এছাড়াও আনুষাঙ্গিক একাধিক জিনিস পড়েছিল। সেই জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও তদন্ত করে দেখবে এই মৃত্যুর কারণ।”



