সহপাঠীর গ্রেফতারের পরেও কেন সিবিআই তদন্তের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন নির্যাতিতার বাবা?
আমার কথা, সনাতন গরাই, দুর্গাপুর, ১৫ অক্টোবর:
সিবিআই তদন্ত হলে ভালো হতো। কিন্তু সেটা নির্ভর করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপর। কিন্তু মমতা দিদি আমার মায়ের মত। যদি কিছু ভুল বলে থাকি তাহলে ছেলের মত ক্ষমা করে দিন। আমি আমার মেয়েকে নিয়ে ওড়িশায় ফিরে যেতে চাই। আমার মেয়ের মতো যাতে আর কারোর মেয়ের না হয়, এটাই আমি বক্তব্য রাখব। বললেন নির্যাতিতা ডাক্তারি পড়ুয়ার বাবা।
প্রসঙ্গত: গত শুক্রবার রাতে এক সহপাঠী বন্ধুর সাথে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে নিগ্রিহীত হন ওড়িশার বাসিন্দা দুর্গাপুরের এক ডাক্তারি ছাত্রী। থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা। এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এরপর গতকাল মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয় ছাত্রীর সহপাঠী বন্ধুটি ওয়াসিফ আলিকে। এই সহপাঠীর দিকেই মূলত অভিযোগের আঙ্গুল ছিল নির্যাতিতার পরিবারের। ওড়িশার মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসনের কাছেও মূল অভিযুক্ত হিসেবে এই ওয়াসিফ আলির নামই জানিয়ে ছিলেন তাঁরা। সেদিন পর্যন্ত ওয়াসিফ আলিকে শুধু জেরাই করছিল পুলিশ। এরপর গতকাল তাকে গ্রেফতার করে আজ আদালতে তুলে ৭ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেয়। ফলে প্রশ্ন উঠছে যাকে প্রথম থেকে নির্যাতিতার পরিবার মূল অভিযুক্ত বলে চিহ্নিত করে আসছেন, তার গ্রেফতারের পরেও কেন বাংলার পুলিশের ওপর ভরসা না রেখে সিবিআই এর দাবি জানাচ্ছেন তিনি? যদিও তা নিয়ে কোনো সদুত্তর দিলেন না নির্যাতিতার বাবা? প্রশ্ন তাহলে কি কারোর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কথা বলছেন তিনি নাকি পুরোটাই তার নিজের মত?



