উন্নয়নের পাঁচালীর অঙ্গ হিসেবে একযোগে শ্যামলা পঞ্চায়েতের পাঁচটি গ্রামে পাড়ায় সংলাপ কর্মসূচি
আমার কথা, রাকেশ লাহা, জামুরিয়া, ১০ জানুয়ারী:
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় ১৫ বছর রাজ্যবাসীর জন্য কি কি উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন সেটি এবার উন্নয়নের পাঁচালীর মাধ্যমে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম সব জায়গাতেই পৌঁছে দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বরা। বেশ কিছুদিন থেকে রাজ্য, জেলা তথা ব্লক জুড়ে চলতে থাকা এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে এদিন শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের আওতাধীন পাঁচটি গ্রামে উন্নয়নের পাঁচালীর অঙ্গ হিসেবে পাড়ায় সংলাপ কর্মসূচি পালিত হল। গ্রাম পরিক্রমা করল উন্নয়নের পাঁচালীর ট্যাবলো। গ্রামে গ্রামে গিয়ে এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত জামুরিয়া বিধানসভার বিধায়ক থেকে শুরু করে ব্লক এবং অঞ্চল নেতৃত্বরা নিজ নিজ বক্তব্যে তুলে ধরলেন রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ১৫ বছরের নানান উন্নয়নমূলক কাজের কথা।
এদিন শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জামুরিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হরেরাম সিং, জামুরিয়া ব্লক ১ এর সভাপতি সুব্রত অধিকারী, জামুরিয়া ব্লক টু এর সহ সভাপতি দিনেশ চক্রবর্তী, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষা পুতুল ব্যানার্জি, শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মন্ডল , জামুড়িয়ার ব্লক টুয়ের যুব সভাপতি পঞ্চানন রুইদাস সহ এলাকার তৃণমূল ছাত্র, যুব এবং মাদারের কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে উপস্থিত ছিলেন আপামোর সাধারণ মানুষ।
প্রসঙ্গে বিধায়ক বিধায়ক হরেরাম সিং জানাই, ১৫ বছর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের ৮ থেকে ৮০ সকলের জন্য যে মস্তিষ্কপ্রসূত বিভিন্ন প্রকল্প এমনকি এই কয়েক বছরের রাজ্যে জুড়ে একের পর এক উন্নয়নের মাধ্যমে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে যে আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছেন সে বিষয়টি আমরা আজ শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুড়ি, ফরফরি, শ্যামলা, শ্যামলা কোলিয়ারি এবং ছত্রিশ গন্ডা এই পাঁচটি গ্রামের মানুষের কাছে উন্নয়নের পাঁচালীর অঙ্গ হিসেবে পাড়ায় সংলাপের মাধ্যমে তুলে ধরলাম।
এছাড়াও আর কি কি কাজ বাকি রয়েছে সেগুলিও মানুষের কাছ থেকে আমরা শুনেছি, সেই কাজগুলিও আগামী দিনে সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করব।



