সবজি চাষে গতি আনতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ কৃষি দপ্তরের
আমার কথা, ১১ ফেব্রুয়ারী
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
কৃষিতে গতি আনতে মাঠে নামল কৃষি দপ্তর। বাড়তি প্রশিক্ষণ দেওয়া হল চাষীদের। কাঁকসার মলানদিঘী ও বিদবিহার এলাকা থেকে প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়। তারপরেই সেই সবজি পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছে যাই। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে সেইসব সবজিতে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল। মাথায় হাত করছে চাষীদের। কারণ অত্যাধিক কীটনাশক সার ব্যবহার। বুধবার মলানদিঘী বিষ্ণুপুর গ্রামে ও বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতে এলাকার সবজি চাষীদের একত্রিত করে প্রশিক্ষণ দেন ব্লকের কৃষি অধিকর্তা ও কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। জৈব সার ব্যবহার করে কিভাবে সবজি চাষে গতি আনা যায় সেই বিষয়টি বোঝানো হয়। রাজ্য সরকারের কৃষি বিভাগ থেকে বিনামূল্যে সার, বীজ ও নানা রকমের পরিবেশবান্ধব ওষুধ পাওয়া যায় বলেও জানানো হয়। বিষ্ণুপুরের প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ব্লকের কৃষি অধিকর্তা সুপ্রভাত পাল, কৃষি আধিকারিক সরফরাজ হোসেন সহ অনিতা মল্লিক ও অন্যান্য আধিকারিকরা। অন্যদিকে বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন গোলসির বিধায়ক নেপাল ঘড়ুই, ব্লকের কৃষি অধিকর্তা সুপ্রভাত পাল, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নব কুমার সামন্ত সহ-সভাপতি জয়জিৎ মন্ডল বিদ বিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লক্ষ্মীমণি টুডু, উপ-প্রধান গোপাল সরকার, পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন সূত্রধর প্রমূখ। ব্লকের কৃষি অধিকর্তা সুপ্রভাত পাল বলেন,”এই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবির আমরা প্রতিনিয়ত করে থাকি। অসময়ে সবজি চাষ কিভাবে করা যায় সেগুলিও বোঝানো হয়। কোন ফসলে কত লাভ, কতটা জমিতে কতটা ফসল উৎপাদন হয় সেগুলি বোঝানো হচ্ছে। কীটনাশক সার ব্যবহার কমানোর বার্তা দেওয়া হয়। কোন জমিতে ফসল নষ্ট হলে মাটি পরীক্ষার বার্তা দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া হয় রাজ্য সরকারের কৃষি দপ্তরে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে এই রকম প্রশিক্ষণ শিবির গুলিতে চাষীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ রয়েছে। নতুন নতুন অনেক কিছু শিখতে পারছে।”



