বিজেপির নাম ভাঙিয়ে সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগে আটক তৃণমূলের একাধিক
আমার কথা, ২৩ মে
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগকে কেন্দ্র করে ফের তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেও পুরনো সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এবার বিজেপির নাম ব্যবহার করেই ফের তোলা আদায়ের ছক কষা হচ্ছিল। শনিবার সকালে গোপাল মাঠের বনগ্রামে গোপন বৈঠকের খবর ছড়াতেই সেখানে হানা দেয় বিজেপি কর্মীরা। এরপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। শুরু হয় ধাওয়া ও ব্যাপক উত্তেজনা। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগের ‘রাশ’ ছিল তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের একাংশের হাতে। অভিযোগ, টাকা নিয়ে শ্রমিক নিয়োগ করা হতো। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কোর কমিটির সদস্য শেখ মনি। পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের নেতা আকবর আলী, রসুল মিয়া সহ আরও কয়েকজনের নামও উঠে এসেছে অভিযোগে। বিজেপির দাবি, এবার বিজেপির নাম ভাঙিয়ে নতুন করে সিন্ডিকেট চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। সেই কারণেই বনগ্রাম এলাকায় গোপনে বৈঠক ডেকেছিল তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। বিজেপির কর্মীরা ধাওয়া করতেই মূল অভিযুক্ত শেখ মনি, আকবর আলী ও রসুল মিয়া এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে দাবি বিজেপির। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার পুলিশ।পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। বিজেপির যুব মোর্চার সহ-সভাপতি সুমন গোপ অভিযোগ করেন, “এতদিন ধরে তোলাবাজি করেও স্বাদ মেটেনি। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেও তারা গোপনে বসে আলোচনা করছে। বিজেপির নাম করে ফের তোলাবাজি করার চক্রান্ত চলছিল।আমাদের উচ্চ নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কোনও তোলাবাজি বা কাটমানি বরদাস্ত করা হবে না। আমরা পুলিশকে পুরো বিষয়টি জানাই। পুলিশ কয়েকজনকে আটক করলেও মূল অভিযুক্তরা এখনও পলাতক।” যদিও তৃণমূলের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



