তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয় থেকে উদ্ধার হল প্রচুর সরকারি পরিচয় পত্র
আমার কথা, ২৯ মে:
সার্থক কুমার দে, পান্ডবেশ্বর:
পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয় থেকে উদ্ধার হল প্রচুর সরকারি পরিচয় পত্র। ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একদিকে যেমন বিভিন্ন অভিযোগে তৃণমূল নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনা সামনে আসছে, অন্যদিকে তেমনি থেকে থেকেই তাদের নামে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের অভিযোগও উঠে আসছে বিজেপির পক্ষ থেকে। এই আবহে পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের একটি কার্যালয় থেকে উদ্ধার হল প্রচুর সরকারি পরিচয় পত্র। শুক্রবার ফরিদপুর ব্লকের গোগলা পঞ্চায়েতের পানশিউলি মোড়ে অবস্থিত তৃণমূলের একটি কার্যালয় থেকে এই পরিচয় পত্র গুলি উদ্ধার হয়। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের আগে পর্যন্ত এই কার্যালয়টি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর “বিধায়ক কার্যালয়” হিসেবে ব্যবহার হত। এদিন সেই কার্যালয়ের ভেতর থেকেই উদ্ধার হয় প্রচুর সরকারি পরিচয় পত্র। কেন্দ্র সরকারের মিনিস্ট্রি অফ টেক্সটাইল হ্যান্ডিক্রাফট দপ্তর থেকে ২০১৩ সালে এই পরিচয় পত্র গুলি কুটির শিল্পীদের নামে ইস্যু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ পরিচয় পত্র গুলি বন্টন করা হয়নি। এই পরিচয় পত্র গুলি থাকলে কুটির শিল্পীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায়। কিন্তু সেগুলি বণ্টন না করে শিল্পীদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও ২০১৩ সালে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বিধায়ক ছিলেন না। তবে এই কার্যালয়টি নরেনবাবু ২০২১ সালে বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই কার্যালয়টি ব্যবহার করতেন।
স্থানীয় বিজেপি নেতা চন্দন দাস বলেন ভোটের ফল প্রকাশের পর তৃণমূলের এই বিধায়ক কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় লোকজন এদিন সেই কার্যালয়ে এই পরিচয় পত্র গুলি দেখতে পায়। কি উদ্দেশ্যে পরিচয় পত্র গুলি বন্টন না করে কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল বিষয়টির তদন্তের দাবি জানান চন্দন বাবু। বিধায়ক কার্যালয় থেকে সরকারি পরিচয়পত্র উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



