পুলিশ ও সাংবাদিকদের যৌথ উদ্যোগে আসন্ন দোল উৎসব নিয়ে সচেতনতা প্রচার
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১ মার্চঃ

“আপনার আনন্দ যেন অন্যের নিরানন্দের কারন না হয়ে দাঁড়ায়” আসন্ন দোল ও হোলি উৎসব উপলক্ষ্যে এরকমই এক বার্তা দিতে উদ্যোগী হল নিউজপেপার এডিটরস গিল্ড অফ পশ্চিম বর্ধমানের সদস্য সাংবাদিকগণ ও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট।
শনিবার সকালে দুর্গাপুরের প্রাণকেন্দ্র সিটি সেন্টার বাস টার্মিনাসে অনুষ্ঠিত হল, আসন্ন দোল উৎসবকে সামনে রেখে সচেতনতা প্রচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় নিউজপেপার এডিটরস গিল্ড অফ পশ্চিম বর্ধমান সংগঠনের সাংবাদিকরা, আর এই সচেতনতা প্রচারের সহযোগিতায় ছিল দুর্গাপুর থানা। উদ্দেশ্য, দোল উৎসব অর্থাৎ রঙের উৎসবে প্রতিটি মানুষ যাতে, তাঁদের প্রিয়জনদের নিয়ে নিশ্চিন্তে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে পারেন। রঙের উৎসব যাতে কারো জন্য বিরক্তের বা দুঃখের না হয়। এমনকি রঙের উৎসবে পোষ্যরাও যাতে খুব ভালো থাকতে পারে। শুধু তাই নয়, রং খেলার সময় ছোট থেকে বড় প্রত্যেকের কি কি করা উচিত , আর কি কি করা উচিত নয় , সেই বিষয়েও এদিন বাসস্ট্যান্ডে উপস্থিত প্রতিটি মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেন, অনুষ্ঠান উপস্থিত অতিথিরা। এছাড়াও, বাসস্ট্যান্ডে থাকা প্রতিটি বাস যাত্রীর হাতে এদিন দোল উৎসবের সচেতনতা নিয়ে লেখা লিফলেট তুলে দেওয়া হয়।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন , আসানসোল – দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এসিপি(দুর্গাপুর) দুর্গাপুর সুবীর রায় , আসানসোল – দুর্গাপুর উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত , পাণ্ডবেশ্বর বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জীব দে , সিটি সেন্টার ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুদীপ্ত বিশ্বাস সহ নিউজপেপার এডিটরস গিল্ডের সদস্য ও সদস্যরা।
এদিন রঙ খেলা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি দোল উৎসবের বিভিন্ন সতর্কীকরণ বার্তাকে আরো নানা দিকে ছড়িয়ে দিতে একটি সুসজ্জিত ট্যাবলো বার করা হয় । সবুজ পতাকা নাড়িয়ে সু-সজ্জিত এই ট্যাবলো যাত্রার শুভ সূচনা করেন, পাণ্ডবেশ্বর বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ও সিটি সেন্টার ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুদীপ্ত বিশ্বাস। এছাড়াও , তিনি সিটি সেন্টার বাস স্ট্যান্ডের আশেপাশে থাকা লোকেদের নিজের হাতে দোল উৎসবের সতর্কীকরণ প্রচারপত্র বিলি করেন বিধায়ক।
এই সংগঠনের সভাপতি মুনমুন দত্ত বলেন, “পুলিশ সারা বছর নানা বিষয়ে সমাজের স্বার্থে সচেতনতা কর্মসূচী নিয়ে থাকে। কিন্তু আমরা সাংবাদিক যাদের সংবিধান চতুর্থস্তম্ভের মর্যাদা দিয়েছে, তাঁদের শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, সমাজের প্রতিও কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। সেই কারনে আমরা সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা এই সচেতনতা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তবে পুলিশকর্তাদের পাশে পাওয়াতে আমাদের এই কর্মসূচীকে বাস্তবায়িত করতে অনেক বেশি সুবিধা হয়েছে”।
অতিথি থেকে বাস যাত্রী প্রত্যেকেই এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।



