লাগাতার নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে
আমার কথা, ১৬ মার্চ:
ফের নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘরুয়ের বিরুদ্ধে। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেও দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার চাষীপাড়া এলাকায় এলাকায় বিধায়কের নাম লেখা সোলার লাইট বসানোর উদ্যোগ নেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার বিকেলে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই সন্ধ্যায় কানের মেশিন, হুইলচেয়ার এবং লাঠি বিতরণ করা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এই বিধায়ক। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছিল। তার মাঝেই আবার নতুন করে নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ সামনে আসায় বিতর্ক আরো বাড়লো বিজেপি বিধায়ককে নিয়ে।স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচন ঘোষণার পর আচমকা এলাকায় এসে বিধায়কের নাম লেখা সোলার লাইট বসানোর কাজ শুরু করেন কর্মীরা। বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষজন। তাদের দাবি, গত পাঁচ বছরে এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শুনতে বা উন্নয়নের কাজ করতে বিধায়ককে খুব একটা দেখা যায়নি। অথচ ভোটের মুখে হঠাৎ করে নানা প্রকল্পের নাম করে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কর্মীদের লাইট নিয়ে সেখান থেকে চলে যেতে হয়। উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়।
কটাক্ষ করে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর রমাপ্রসাদ হালদার তীব্র অভিযোগ করে বলেন, “মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন বিজেপি বিধায়ক। গত পাঁচ বছরে এলাকায় মানুষের খোঁজখবর নিতে দেখা যায়নি। এখন আবার হয়তো ভাবছেন দল থেকে টিকিট পাবেন, তাই ভোটের আগে মানুষকে খুশি করার জন্য সব নিয়মকানুন উপেক্ষা করছেন। নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন করে এই ধরনের কাজ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবো।”
অন্যদিকে বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুইয়ের দাবি, “,”আগেই বরাদ্দ হয়েছিল। যে ঠিকা সংস্থা বরাত পেয়েছিল তারাই কাজ করছিল। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কাজ আটকানোর চেষ্টা করছে। কারণ ওরা ভয় পেয়েছে, বুঝতে পেরেছে, লক্ষণ ঘড়ুইয়ের কাছে হেরে যাবে। সেই জন্যই এইসব করছে।”



