নাম কাটার চক্রান্ত ! কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ভোটারদের
আমার কথা, সার্থক কুমার দে, দুর্গাপুর, ৩১ ডিসেম্বর:
২৭ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে এস আই আর প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব। নো ম্যাপিং, মিস ম্যাচ, ২০০২ সালের তালিকায় বাবা-মায়ের নাম নেই এমন ভোটারদের এই পর্বে ডাকা হচ্ছে শুনানির জন্য। শুনানিতে ডাকা হচ্ছে অসুস্থ বয়স্ক এমনকি প্রতিবন্ধী ভোটারদেরও। কমিশনের এই কাজ অমানবিক বলে অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল সহ বিজেপি বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। বুধবার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লক কার্যালয়ে দেখা গেল এরকমই দৃশ্য। এদিন পাড়ার এক ব্যক্তির সহযোগিতায় শুনানি কেন্দ্রে হাজির হন গোগলা অঞ্চলের নিউপিট বনগ্রামের বাসিন্দা প্রকাশ ভূঁইয়া। তিনি প্রতিবন্ধী,জন্ম অন্ধ। তিনি বলেন ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নাম আছে আমিও দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিচ্ছি তা সত্ত্বেও আমাকে ডাকা হয়েছে শুনানির জন্য। নথি হিসাবে তিনি সাথে নিয়ে এসেছেন প্রতিবন্দী শংসাপত্র। বালিজুরি গ্রাম থেকে শুনানি কেন্দ্রে এসে কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বছর বাহাত্তরের ভারতী চ্যাটার্জি, গঙ্গাধর চ্যাটার্জিরাও। তারা বলেন বার্ধক্য জনিত কারণে শরীর অসুস্থ। হাঁটাচলা করতেও অসুবিধা হয়। আমাদের জন্ম পড়াশোনা বড় হওয়া সব এখানেই । আমরা এইখানকার স্থানীয় বাসিন্দা। তা সত্যেও আমাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে । গঙ্গাধর বাবু, ভারতী দেবী বলেন নির্বাচক কমিশন ভোটের নাম কাটার অভিসন্ধি নিয়ে কাজ করছে । তাই ন্যায্য ভোটার হওয়া সত্বেও আমাদের মত বৃদ্ধদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে ।
বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব । এদিন ব্লক অফিস কার্যালয়ের বাইরে প্রতিবন্ধী প্রকাশ ভুঁইয়া, দিলীপ বণওয়ালদের সুনানিতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি তাদের ফুলের মালা পরিয়ে সম্বর্ধনা দেয় তৃণমূল । তৃণমূল নেতা গৌতম ঘোষ বলেন সুনানির নামে যোগ্য ভোটারদের হায়রানি করছে কমিশন । আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ।



