চালক ঘুমিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা? ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শিক্ষক সহ মৃত চার
আমার কথা, আসানসোল, ১২ জুলাইঃ

ট্রাকের সাথে চার চাকা গাড়ির সংঘর্ষে মৃত্যু হল চার আরোহীর। মর্মান্তি ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার কাছে। মৃত চার ব্যাক্তি পসচিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের বাসিন্দা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
আসানসোলের বিবাকানন্দ সরণীর করুণাময়ী হাউসিং এস্টেটের বাসিন্দা কার্তিক লাহিড়ী, হিমাদ্রী শেখর পাত্র, বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও অতনু গুহ একটি স্করপিও গাড়িতে করে শনিবার দীঘা যাচ্ছিলেন বেড়াতে। ভোর ৬টা নাগাদ তাঁরা আসানসোল থেকে রওনা দেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর-বালেশ্বর ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের বেলদা থানার রানিসরাই এলাকায় স্করপিও গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাতীয় সড়কের এক লেন থেকে অন্য লেনে চলে যায় এবং দাঁতনের দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে গাড়িটির সংঘর্ষ ঘটে।
এই দুর্ঘটনায় দুমড়ে মুচড়ে যায় স্করপিও গাড়িটির সামনে অংশ ৷ গাড়ির সামনের ভাঙা অংশে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চার জনের। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলদা থানার পুলিশ ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ক্রেন দিয়ে সরিয়ে গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে উদ্ধার করা হয় ওই চার ব্যক্তির দেহ।
মৃতদের মধ্যে কার্তিক লাহিড়ী আসানসোল পুরনিগমে ঠিকাদারির কাজ করেন, হিমাদ্রি শেখর পাত্র তিন বছর পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা সেলের জেলা সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী কবিতা রানা বলেন, “স্করপিও গাড়িটি প্রচন্ড গতিবেগে যাচ্ছিল। অন্য রাস্তা থেকে এই রাস্তায় এসে ঢুকে যায় ৷ তারপরেই লরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ৷ যার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে । গাড়িতে থাকা চার জনের কেউই বেঁচে নেই ।”
এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “দুর্ঘটনার কারণ এখনই বলা সম্ভব নয় । তবে প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির চালক ঘুমিয়ে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে ।”




