রহস্যজনক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দুর্গাপুর, ঝলসে গেলেন যুবক, দেখুন ভিডিও
আমার কথা, দুর্গাপুর, ২৩ এপ্রিলঃ
বুধবার বেলা বাড়তেই কেঁপে উঠল দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর বি-জোনের নিউটন এলাকা। বিস্ফোরণের আওয়াজে চমকে উঠলেন ১৭ নং স্ট্রিটের বাসিন্দারা। শুনতে পেলেন কোনো এক ব্যাক্তির চিৎকার ও আর্তনাদের আওয়াজ। তাহলে কি বোমা বিস্ফোরণ হল?
দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর নিউটন অ্যাভিনু এর ১৭নং স্ট্রিটে একটি মাটির বাড়িতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বসবাস করেন সজল দেবনাথ(৩০)। পেশায় “যখন যেমন পাই, তখন তাই করি” অর্থাৎ কখনও রান্নার কাজ, কখনও ঠিকাকর্মীর কাজ। বুধবার বেলা আনুমানিক ১১টা ৩০ নাগাদ সজলের স্ত্রী তখন বাড়ির বাইরে গেছিলেন। বাড়ির বারান্দায় বসে কিছু করছিলেন সজল। আচমকাই বিস্ফোরণ আর তাতে ঝলসে যান তিনি। তাঁর আর্তনাদ, বিস্ফোরণের মারাত্মক আওয়াজে আশেপাশের লোকজন চমকে ওঠেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে রয়েছে বি-জোন ফাঁড়ি। ছুটে আসে পুলিশ। সজলের বাড়ি গিয়ে দেখা যায় সে মাটিতে পড়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে শরীর। সজলের শরীরের ৪০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে বলে পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে। মূলতঃ তাঁর পেটের অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তড়িঘড়ি তাঁকে শোভাপুরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ও পরে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এসিপি(দুর্গাপুর) সুবীর রায়। তিনি জানান, “বারান্দায় বারুদ নিয়ে বসে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করছিল ওই যুবক। তাতে আগুন লেগে বিস্ফোরণ হয়। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হবে”।
পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, বোমার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে ২৫-৩০ গ্রাম মতো বারুদ উদ্ধার হয়েছে। আর এফ এস এল (Regional Forensic Science Laboratory) টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসে পরীক্ষা করে দেখে আরো বিশদে বলতে পারবেন। তবে প্রশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে যে সজল বারুদ নিয়ে কিসের পরীক্ষা নিরীক্ষা করছিলেন?



