অবশেষে দুর্ঘটনায় মৃত হায়দারের পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১৭ আগস্ট:
দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাঁকোড়া গ্রামের প্রান্তিক পরিবারের একমাত্র রোজগেরে শেখ হায়দার আলী(২৫)। কাজ করতেন একটি ঠিকা সংস্থায়। পরিবারে বাবা মা স্ত্রী ও দুটি নাবালক সন্তান রয়েছে। বর্তমানে বিধাননগরে একটি বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন। চলতি মাসের ৮ তারিখে প্রতিদিনের মতোই কাজে গেছিলেন তিনি। কাজ করছিলেন ওই কলেজের নির্মিয়মান একটি বিল্ডিংয়ের চার তলায়। কাজ করতে করতে আচমকাই সেফটি বেল্ট খুলে নিচে পড়ে যান সেখ হায়দার আলি। গুরুতর আঘাত পান তিনি। চিকিৎসার জন্য তাকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতির কারনে তাঁকে রাজবাঁধের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পুনরায় তাকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ফিরিয়ে এনে ভর্তি করা হয়।সেখানে গতকাল অর্থাৎ শনিবার রাতে তিনি মারা যান।
এদিকে পরিবারে হায়দারের স্ত্রী দুই নাবালক সন্তান বয়স্ক মা বাবার জন্য একমাত্র রোজগেরে হায়দারের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের জন্য কর্তৃপক্ষ তেমন সাড়া দিচ্ছিল না বলে অভিযোগ। মৃত শ্রমিকের পরিবার যোগাযোগ করলেও তাঁদের তেমন গ্রাহ্য করতে চাইনি বলেও অভিযোগ ওঠে। তাতেই ক্ষিপ্ত উঠে এলাকার মানুষজন। খবর যায় খয়রাশোল এলাকায় গড়ে উঠা দুর্গাপুর মাইনোরিটি সোশ্যাল ওয়ার্কার এর অফিসে। ছুটে যান ওই সংগঠনের সদস্য শেখ জাহির, জুলফিকার আনসারী, শেখ ফিরোজ সহ আরও অনেকে।
ছুটে আসেন আইনজীবী আয়ুব আনসারী, তৃণমূল নেতা ভীম সেন মন্ডল, বিধাননগর ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক।
দীর্ঘ আলোচনায় মোট ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদান করে কর্তৃপক্ষ।
আইনজীবী আয়ুব আনসারী বলেন, “দুর্গাপুর মাইনোরিটি সোশ্যাল ওয়ার্কার এর কর্মী বন্ধুদের নিয়ে এক সাথে লড়াই করে আসলো সফলতা। এই অর্থ মৃত প্রান্তিক পরিবারের কিছুটা সাহায্য হবে”।



