শিল্পশহরে নয়া সংযোজন, সরকারের উদ্যোগে এবার দুর্গাপুরেই তৈরি হবে IAS-IPS
আমার কথা, ২৬ ফেব্রুয়ারি
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
দিল্লি ছুটতে হবে না দুর্গাপুরেই তৈরি হবে আইপিএস আইএএস! নয়া উদ্যোগ বাংলার প্রশাসনে
ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের স্বপ্নের শহর দুর্গাপুর। ইস্পাত শিল্পের জন্য খ্যাত এই নগরী আজ পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নগরী এবং স্বাস্থ্য নগরী হিসেবেও পরিচিত। শিল্প, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধির এই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবার রাজ্য সরকারের নজর পড়েছে দুর্গাপুরে উচ্চমানের প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দিকে। আইএএস, আইপিএস এবং অন্যান্য সর্বভারতীয় চাকরির জন্য প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভবন এম.এ.এম.সি গেস্ট হাউসকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হল। সংস্কারের কাজ শুরু হল বৃহস্পতিবার। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (এডিডিএ)-র চেয়ারম্যান কবি দত্ত, নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের সিইও অদিতি চৌধুরী সহ বিভিন্ন বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা। আগেই গেস্ট হাউসের প্রতিটি তলা, ঘর, হলরুম ব্যবহারের সম্ভাবনা, বিদ্যমান পরিকাঠামোর মান, ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সুযোগ সব দিকই বারবার খুঁটিয়ে দেখেছিলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন,”নতুন প্রশিক্ষণ মডিউল, লাইব্রেরি, স্মার্ট ক্লাসরুম, ডিজিটাল ল্যাব, আবাসিক থাকার ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনে এই গেস্ট হাউসকে প্রশাসনিক প্রশিক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধাশ্রম করা হবে।” দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস বলেন,”আইপিএস ও আইএএস অফিসাররাও প্রশিক্ষণ দেবে। সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।আমরা আশাবাদী আগামী দিনে এই কোচিং সেন্টার থেকেই বহু অফিসার তৈরি হবে।”



