১৩ বছর পর রায় দান, খুন হয়েছিলেন বৌদি, যাবজ্জীবন দেওরের
আমার কথা, দুর্গাপুর, ৩০ জুলাইঃ
২০১২ সালের ২৮ জুন রাতের বেলা ফরিদপুর (লাউদোহা) থানায় ফোন এলো, লবনপাড়ায় রঞ্জিত মজুমদারের বাড়িতে খুন হয়েছে এক মহিলা। সাথে সাথে পুলিশ দৌড়লো রঞ্জিতের বাড়ি। গিয়ে দেখলো মাটিতে পড়ে আছে রঞ্জিতের স্ত্রী। মাথা থেকে রক্ত ঝরছে। ঘটনা প্রেক্ষিতে রঞ্জিত ও রঞ্জিতের ভাই সমীরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর ঘটনাটি আদালতে ওঠে। শুরু হয় শুনানি। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলতে থাকে এই মামলাটি। এর মাঝে উঠে আসে একটি তথ্য, যে দেওর সমীরের সাথে তার বৌদির অবৈধ প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত্য প্রমাণিত হয়নি। এলাকাবাসীদের অভিযোগ ছিল এই অবৈধ সম্পর্কের জেরেই খুন হতে হয়েছে রঞ্জিতের স্ত্রীকে।
এদিকে ১৩ বছরের এই মামলার আজ বুধবার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা হল। মোট সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ন্যে বাদী বিবাদী পক্ষের আইনজীবির সওয়াল জবাবের জেরে বিচারক ওই মহিলার স্বামী রঞ্জিতকে বেকসুর খালাস করে দেন। তবে দেওর সমীরকে যাবজ্জীবন কারাবাসের নির্দেশ দেন বিচারক।
দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে এই মামলার সরকারী পক্ষের আইনজীবি গোপাল কুন্ডু জানান, “সেই রাতে ওই মহিলা স্বামী ও দেওর একই ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। তবে কে খুন করলো তা কেউ দেখেনি। শুধু মাথা ফেটে রক্ত পড়ছিল এটুকুই দেখা গেছে। পরিস্থিতি, নানা তথ্যর ওপর ভিত্তি করেআদালত এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে”।




